আইএমইআই নাম্বার কি? এটি আসলে কীসের জন্য?


আমরা সবাই কমবেশি একটা জিনিসের নাম অবশ্যই শুনেছি, তা হল আইএমইআই নাম্বার (IMEI)। মোবাইল বা স্মার্টফোনের প্যাকেজিং এর সাথে আমরা কিছু স্টিকার দেখতে পাই, আর এখানে এইসব IMEI নাম্বার লেখা থাকে। এই IMEI নাম্বার দ্বারা আসলে কি বোঝায় এবং এই IMEI নম্বর এর কাজ কি, সে সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না।

তবে প্রথমত বলে রাখি, আপনার ফোনের জন্য এই আইএমইআই (iMEI) নাম্বার অতি জরুরী। আর ফোন কেনার পরপরই আপনার উচিত এই আইএমইআই নম্বরটি কোথাও নোট করে রাখা। আপনার বিদ্যালয়ে বা কলেজে আপনার যেমন আলাদা আইডেন্টিটি ছিলো বা আছে, তেমনই আইএমইআই একেকটি মোবাইল ফোন বা সমমানের ডিভাইসের একেকটি ইউনিক আইডেন্টিটি। আর এইসব আইএমইআই (IMEI) নাম্বার থেকে ফোনের ফোনের মডেল থেকে শুরু করে সিরিয়াল নাম্বার সকল কিছুই বের করা সম্ভব।


বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন খুবই প্রচলিত একটি প্রযুক্তি পন্য। আর ধীরে ধীরে এটি আরও ফিচারফুল এবং আরো দামি হয়ে যাচ্ছে। কমবেশি সবাই ইচ্ছা করে অন্তত একটা স্মার্টফোন তো কিনছেনই। আর সেকারনে এইসব স্মার্টফোনের ব্যাপক প্রসারের ফলে চোরদেরও অন্যতম টার্গেট হয়ে দাড়িয়েছে। তো আপনার স্মার্টফোনটি হয়ত আপনি দূর্ঘটনাবশত হারিয়ে ফেললেন; কেউ চুরি করল। তখন সেই স্মার্টফোন কিভাবে ফিরে পাবেন,বা নজর রাখবেন? চোর তো সীমকার্ড খুলেও ফেলতে পারে,এমন কোন নাম্বার আছে,যা পরিবর্তন করা যায় না? এইসময় আপনাকে সাহায্য করবে আপনার ফোনের IMEI নাম্বার। আজ আমরা জানব IMEI সম্পর্কে বিস্তারিত।

আইএমইআই নাম্বার কি?

আইএমইআই(IMEI) এর পূর্নরূপ হলো International Mobile Equipment Identity। এই IMEI প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য একটি সংখ্যাসূচক পরিচয় বা সংখ্যাসূচক আইডিন্টিটি। আর এই কারনে প্রতিটি আইএমইআই নম্বরই অনন্য তথা একটি আরেকটির থেকে ভিন্ন।

মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানির কাছে আপনার ফোনের সব তথ্য এই আইএমইআই নম্বরের মাধ্যমে সংরক্ষিত থাকে। আর তাই আপনি হয়ত যখন কোন কারনে আপনার ফোন সার্ভিসিং এ নিয়ে গিয়েছেন কাস্টমার কেয়ারে, তারা আপনার ফোন খুলে আইএমইআই নম্বরটি চেক করে ফোনের সব ডাটা বের করেছে ; যেমনঃ ওয়ারেন্টি আছে কিনা, কবে বিক্রি হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। সাধারনত মূল আইএমইআই নম্বরটি হয়ে থাকে ১৪ ডিজিটের। তবে পুরো আইএমইআই নম্বরটি ভেরিভাই এর জন্য এর সামনে আরো একটি সংখ্যা থাকে যা মিলে পুরো আইএমইআই নম্বরটি হয়ে যায় ১৫ ডিজিটের। তবে এখন অনেক আইএমইআই নম্বরে ডিভাইসের সফটওয়্যার ভার্সন সংস্করন এর জন্য আরেকটি সংখ্যা থাকে, যার ফলে আইএমইআই নম্বরটি হয়ে যায় ১৬ ডিজিটের। আর এসব আইএমইআই নম্বরকে IMEISV’ও বলা হয়।

২০০৪ সাল থেকে আইএমইআই (IMEI) নাম্বার AA-BBBBBB-CCCCCC-D ফরম্যাটে বিন্যাস্থ হয়ে আসছে। আর এখানে A এবং B সেকশনকে বলা হয়ে থাকে Type Allocation Code বা TAC। আর IMEI নম্বরের এই TAC অংশ থেকে ফোনটির ম্যানুফ্যাকচারার বা তৈরিকারক এবং ফোনটির মডেল নম্বর সম্পর্কে জানা যায়। যেমনঃ স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ এর TAC কোড হল 32-930400, গুগল নেক্সাস ৪ বা এলজি E960 এর TAC কোড হল 35-391805 ইত্যাদি। অর্থাত ১৫ ডিজিট বা ১৬ ডিজিটের সম্পূর্ণ আইএমইআই নম্বরে এই TAC হয়ে থাকে ৮ ডিজিটের, এই ৮ ডিজিট এর ভেতর ২ টি ডিজিট আবারও  ভেরিভাই এর জন্য, তাই মূল TAC হয়ে থাকে ৬ ডিজিটের ।

এবার আসি C সেকশনের কথায়। আইএমইআই নম্বরের ভেতরকার C সেকশনটি মোবাইল ফোনের একটি ইউনিক বা অনন্য সিরিয়াল নম্বর নির্দেশ করে। এখানে স্মার্টফোন তৈরিকারকরা একেকটি স্মার্টফোনে তাদের পছন্দমত ইউনিক নম্বর দিয়ে থাকে। আর এই D সেকশনে যে একটি নম্বর থাকে তা সম্পূর্ণ আইএমইআই নম্বরটি ভেরিফিকেশনের জন্য। ব্যাস! এইসব নিয়ে আপনার স্মার্টফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর।

আইএমইআই নাম্বার দেখবেন কিভাবে?
আপনি অনেক উপায়ে আইএমইআই(IMEI) নম্বরটি দেখতে পারেন । তবে আমার কাছে ফোনের ডায়ালার অ্যাপ থেকে এই নম্বরটি চেক করা সবচাইতে সহজ লাগে। আপনার ফোনের  ডায়ালর অ্যাপে *#06# ডায়াল করলেই ফোনের আইএমইআই নম্বরটি দেখতে পারবেন।

আবার এন্ড্রয়েড ডিভাইসের  Settings>About>Phone>Status এ গিয়ে আপনি আপনার IMEI নম্বরটি দেখতে পারবেন। আবার অ্যাপেল ইউজাররা  Settings>General>About এ গিয়ে IMEI নম্বর দেখতে পারবেন। আপনার আপনার ফোনের বক্সে এবং ওয়ারেন্টি কার্ডেও আপনি IMEI নম্বরটি খুঁজে পাবেন। যাই হোক,যেখান থেকেই দেখুন না কেন,অবশ্যই নম্বরটি নোট করে রাখবেন।

আইএমইআই নাম্বার কতটা দরকারি

অনেক জাল মোবাইল ফোন, যেমন: নকল আইফোন এগুলোতে IMEI নাম্বার থাকে না। আবার অনেক নকল বা জাল ফোনে খারাপ বা কারাপ্টেড IMEI নম্বর থাকে। তাই আপনার ফোন আসল কিনা, বা IMEI নম্বর ভ্যালিড কিনা তা জানতে IMEI.info এর মত অনলাইন চেকার ব্যবহার করতে পারেন। একটা কথা মনে রাখবেন, যে ফোনে IMEI নেই বা কারাপ্টেড IMEI -এর মানে সে ফোন নকল এবং আপনি কেনার আগে IMEI চেক করে কিনবেন।

এখন অ্যাপেল বা শাওমির মত ওয়েবসাইটে তাদের ডিভাইসের IMEI ভেরিফাই করার অপশন থাকে, তাই কেনার আগে IMEI ভেরিফাই করে আসলটা কিনবেন।

আইএমইআই নাম্বার দিয়ে কি হয়

IMEI হল একটি মোবাইল ডিভাইসের কমপ্লিট আইডেন্টিটি। ধরুন আপনার ফোন হারিয়ে গেছে, তবে আপনি নানা এনড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপ ব্যবহার করে, কেবল IMEI দিয়ে ফোনটি ট্র্যাক করতে পারেন। আবার আপনি আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনের জন্য থানায় অভিযোগ করতে গেলে, তারাও IMEI নাম্বার চাবে এবং তা দিয়ে আপনার ফোন ট্র্যাক করতে পারবে।

পরিশেষে 

গাড়িঘোরার জন্য একটি নম্বর থাকে যাকে বলা হয়, Vehicle Identification Number বা VIN ; আর মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে ঠিক একই IMEI। এই নম্বরটি আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনের জন্মসনদ। আবার আপনার সীম নম্বরের সাথে এর তুলনা করবেন না, কেননা IMEI নাম্বার সাধারনত পরিবর্তন যোগ্য নয়। IMEI পরিবর্তন বা ক্লোন নিয়ে পরবর্তীতে কোনো আর্টিকেল প্রকাশ করব। আশা করি আর্টিকেলটি আপনার ভালো লেগেছে। নিচে আপনার  মতামত জানাতে ভুলবেন না।

ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!

ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!

১. সনি এক্সপেরিয়া এক্সএ আল্ট্রা

এতে আছে ৬ ইঞ্চির আইপিএস এলসিডি ৭২০x১২৮০ পিক্সেল এর ডিসপ্লে। অক্টাকোর ২ গিগাহার্টজ কর্টেক্স-এ৫৩ মিডিয়াটেক এমটি৬৭৫৫ হেলিও পি১০ প্রসেসর।

র‌্যামে আছে ৩জিবি, সাথে ১৬ জিবি স্টোরেজ। এর রিয়ার ক্যামেরাটি ২১.৫ মেগাপিক্সেল আর ফ্রন্ট ক্যামেরাটি ১৬ মেগা পিক্সেল। অপারেটিং সিস্টেম ৬.০.১ মার্শম্যালো। আর ব্যাটারি আছে ২৭০০ এমএএইচ। দাম পড়বে, প্রায় ২৮ হাজার টাকা।

ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!

২. নকিয়া ৬
এতে আছে ৫.৫ ইঞ্চির আইপিএস এলসিডি ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল ডিসপ্লে। অক্টাকোর ১.৪ গিগাহার্টজ কর্টেক্স এ৫৩ কোয়ালকম এমএসএম৮৯৩৭ ৪৩০ প্রসেসর। সাথে ৩জিবি র‌্যাম এবং ৩২জিবি স্টোরেজ। এর রিয়ার ক্যামেরাটি ১৬ এমপি আর ফ্রন্ট ক্যামেরাটি ৮ এমপি।

অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৭.১.১ নুগেট। ব্যাটারি আছে ৩০০০ এমএএইচ। দাম পড়বে প্রায় ২২ হাজার টাকা।
ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!


৩. মটোরোলা মটো জি টারবো সংস্করণ
৫ ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি ৭২০x১২৮০ পিক্সেল ডিসপ্লে। ১.৫ গিগাহার্টজ কর্টেক্স-এ৫৩ কোয়ালকম এমএসএম৮৯৩৯ স্ন্যাপড্রাগন ৬১৫ প্রসেসর। ২জিবি র‌্যাম, সাথে ১৬জিবি স্টোরেজ। রিয়ার ক্যামেরাটি ১৩এমপি আর ফ্রন্ট ক্যামেরাটি ৫ এমপি। অ্যান্ড্রয়েড ৫.১.১ ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম। ব্যাটারি ২৪৭০ এমএএইচ। দাম পড়বে প্রায় ১২ হাজার টাকা।

ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!

৪. সনি এক্সপেরিয়া জেড৩
৫.২  ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল ডিসপ্লে। কোয়াডকোর ২.৫ গিগাহার্টজ ক্রেইট ৪০০ কোয়ালকম এমএসএম৮৯৭৪এসি স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ প্রসেসর। ৩জিবি র‌্যাম সাথে ১৬জিবি স্টোরেজ। এর রিয়ার ক্যামেরাটি ২০.৭ মেগাপিক্সেল আর ফ্রন্ট ক্যামেরাটি ২.২ এমপি। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কিটক্যাট। ব্যাটারি ৩১০০ এমএএইচ। দাম পড়বে ৩০ হাজার টাকা।

ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!

৫. ওয়ান প্লাস টু
৫.৫ ইঞ্চি এলটিপিএস এলসিডি ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল ডিসপ্লে। কোয়াড কোর ২.৭ গিগাহার্টজ ক্রেইট ৪৫০ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০৫ প্রসেসর। ৩/৪জিবি র‌্যাম এবং ১৬/৬৪ জিবি স্টোরেজ। রিয়ার ক্যামেরাটি ১৩ এমপি আর ফ্রন্ট ক্যামেরাটি ৫ মেগাপিক্সেলের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিপপ। ব্যাটারি ৩৩০০ এমএএইচ। দাম পড়বে প্রায় ২০ হাজার টাকা।

ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!

৬. ভিভো ভি ৫ এস
৫.৫ ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি ৭২০x১২৮০ পিক্সেল ডিসপ্লে। অক্টাকোর ১.৫ গিগাহার্টজ, কর্টেক্স এ৫৩ মিডিয়াটেক এমটি৬৭৫০ প্রসেসর। ৪জিবি র‌্যাম সাথে ৬৪ স্টোরেজ। প্রধান ক্যামেরাটি ১৩ মেগাপিক্সেল আর ফ্রন্ট ক্যামেরাটি ২০ মেগাপিক্সেলের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ মার্শম্যালো। ব্যাটারি ৩০০০ এমএএইচ। দাম পড়বে ২০ হাজার টাকা।

ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!

৭. এইচটিসি ডিজায়ার আই
৫.২ ইঞ্চি টিএফটি ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল ডিসপ্লে। কোয়াডকোর ২.৩ গিগাহার্টজ ক্রেইট ৪০০ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ প্রসেসর। ২জিবি র‌্যাম সাথে ১৬জিবি স্টোরেজ। রিয়ার ক্যামেরাটি ১৩ এমপি, ফ্রন্ট ক্যামেরাটিও ১৩ এমপি। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪.২ কিটক্যাট। ব্যাটারি ২৪০০ এমএএইচ।

ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!

৮. স্যামসাং গ্যালাক্সি এক্সকভার ৪
৫ ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি ৭২০x১২৮০ পিক্সেল ডিসপ্লে। কোয়াডকোর ১.৪ গিগাহার্টজ প্রসেসর। ২জিবি র‌্যাম সাথে ১৬জিবি স্টোরেজ। রিয়ার ক্যামেরাটি ১৩ এমপি আর ফ্রন্ট ক্যামেরাটি ৫এমপি। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৭.০ নুগেট। ব্যাটারি ২৮০০ এমএএইচ। দাম পড়বে প্রায় ২৪ হাজার টাকা।
ওয়াটারপ্রুফ ও কম দামে সেরা ৮টি স্মার্টফোনের বিস্তারিত!
সূত্র: গিজবট

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বাড়ানোর ৭ উপায়!

বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে মোবাইলের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। দিন দিন আন্ড্রয়েড ফোনের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে। আমরা কখনো চাইনা আমাদের প্রিয় স্মার্টফোন স্লো কাজ করুক। কিন্তু, অনেকেই এই সমস্যায় ভুগছেন। এসব সমস্যার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এসব কারন এড়িয়ে চললে এ সমস্যা থেকে সমধান পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফোনের গতি বাড়ানোর কিছু উপায়
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বাড়ানোর ৭ উপায়!

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস মুছে ফেলুন:
অনেকের মোবাইল প্রচুর পরিমানে আন্ড্রয়েড অ্যাপস ইন্সটল করতে দেখা যায়। অনেকেই আছেন এসব অ্যাপস অযথা ইন্সটল করে রেখেছেন। অর্থাৎ, অ্যাপস ব্যবহার না করলেও অ্যাপস ইন্সটল করে রাখেন। যদি আপনার আন্ড্রয়েড ফোন এ অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস থাকে তাহলে সেগুলো মুছে ফেলুন। যদি কখনো প্রয়োজন হয় পরে না হয় এসব অ্যাপস আবার ইন্সটল করে নিবেন।
কেননা, অতিরিক্ত অ্যাপস আপনার আন্ড্রয়েড ফোনের গতি কমিয়ে দিবে।

ডিভাইসের স্টোরেজ পরিষ্কার করুন:
অনেকের অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ অপ্রয়োজনীয় ফাইল দিয়ে পূর্ণ করা থাকে, যা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমাতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলেট করে দিন। এতে, একদিকে যেমন আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের গতি বাড়বে, অন্যদিকে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ খালি হবে ।

ভাল মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা:
মোবাইল ফোনের স্টোরেজ বাড়ানোর জন্য মেমোরি কার্ড ব্যবহার করি । তবে, মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা সময় মেমোরি কার্ডটি মানসম্মত কি না তা যাচাই করে দেখি না । নিম্নমানের মেমোরি ব্যবহার করার ফলে একদিকে যেমন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমে যায় অপরদিকে মেমোরি কার্ড ডেটা ট্র্যান্সফারের গতি কম থাকে । এক্ষেত্রে, আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল কম্পিউটার এ ব্যাকআপ রেখে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে আবার ব্যবহার করে দেখতে পারেন । অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি ভাল রাখতে, আপনার উচিত হবে মান সম্মত মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা ।

অপ্রয়োজনীয় ওইজেট মুছে ফেলুন:
অ্যান্ড্রয়েড প্রচুর ওইজেট রয়েছে। সাধারণত এসব ওইজেট অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এছাড়া নানা কাজে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এসব ওইজেট ব্যবহার করেন। অনেকের মোবাইল প্রচুর পরিমানে ওইজেট ব্যবহার করতে দেখা যায়। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে অতিরিক্ত ওইজেট আপনার ডিভাইস এর গতি কমিয়ে দিতে পারে। তাই, আপনার আন্ড্রয়েড ফোন এ অপ্রয়োজনীয় ওইজেট থাকে তাহলে সেগুলো মুছে ফেলুন। আর যথাসম্ভব কম ওইজেট ব্যবহার করুন। এতে, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বেড়ে যাবে।

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর ক্যাশ মুছে ফেলা:
আন্ড্রয়েড অ্যাপস ব্যবহার করার ফলে অ্যাপস এর ক্যাশ আপনার আন্ড্রয়েড ডিভাইস স্লো করে দিতে পারে। তাই, অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি বাড়ানোর জন্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর ক্যাশ মুছে ফেলতে পারেন। এসব ক্যাশ মুছে ফেলার জন্য আপনি চাইলে অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন। এতে, আপনার ফোনের গতি কিছুটা বাড়বে ।

ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট:
যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড অবস্থা অতিরিক্ত খারাপ হয়ে থাকে, তাহলে আপনি ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করে নিতে পারেন। ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করার আগে অবশ্যই আপনার আন্ড্রয়েড এর সমস্ত ডাটা এর ব্যাকআপ নিয়ে রাখবেন। কেননা, ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করলে ফোনের সমস্ত ডাটা মুছে যায়। এরপর, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি সবকিছু নতুন ভাবে সেট-আপ করুন।

স্টার্ট-আপ অ্যাপস নিয়ন্ত্রণে রাখুন:
আমরা অ্যান্ড্রয়েড বেশ কিছু অ্যাপস দেখি যেসব অ্যাপস অটো স্টার্ট আপ ফিচার সমৃদ্ধ। অর্থাৎ, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস চালু হওয়ার সাথে সাথে এসব অ্যাপস স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। যাদের র্যাম কম তাঁরা এ ধরনের অ্যাপস যথাসম্ভব কম ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। কেননা, এতে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এর গতি কমে যেতে পারে। এছাড়া, আপনি চাইলে এসব অ্যাপস এর স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্টার্ট আপ বন্ধ করতে পারেন।

এছাড়া, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাপস সমূহ সব সময় আপডেট করার চেষ্টা করুন। যখনই আপনার ব্যবহৃত অ্যাপস এর আপডেট করার জন্য নোটিফিকেশন পাবেন, তখনই অ্যাপসটি আপডেট করার চেষ্টা করবেন। এতে, আপনি দুইটি সুবিধা পাবেন। প্রথমত, আপনার ফোনের গতি বাড়বে আর অ্যাপস আপডেট করার ফলে আপনি অ্যাপস থেকে হয়ত বাড়তি সুবিধা পাবেন এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোন এ অনেক সময় আমরা লাইভ ওয়াল পেপার ব্যবহার করি। এসব লাইভ ওয়াল পেপার ব্যবহার করার ফলে একদিকে যেমন আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গতি কমে যায় অপরদিকে আপনার ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
বিডি প্রতিদিন/১৪ ডিসেম্বর ২০১৭/হিমেল

মোবাইল নম্বর গোপন রেখে ফোন করার উপায়?

ফোন করবেন। কথা বললেন। অথচ আপনার নম্বরটি থাকবে না রিসিভারের কাছে। যাকে বলে ম্যাজিক। পুরোদমে ফ্ল্যাটিং আর নো কেস। পড়ে নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে ? কী করে এটা সম্ভব? আরে বাপু সব তো অ্যাপসের কেরামতি। নানা ধরনের অ্যাপ অবশ্য আগে থেকেই রয়েছে। তবে সেগুলি ব্যবহার করার জন্য একটি ভুয়া নম্বর ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু এখন আর এই সব ঝামেলা নেই। জেনে নিন, কিভাবে মোবাইল নম্বর গোপন রেখে কল করা যায় তার নিয়মাবলী। Voxox, Lifehacker, Spoofcard, Tracebust, CallerIDFaker- এসব অ্যাপের সাহায্যে কাওকে ফোন করার সময় বদলে ফেলা যায় নিজের মোবাইল নম্বর। এক্ষেত্রে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর আসল নম্বর লুকিয়ে রাখে এবং ব্যবহারকারীর দেওয়া অন্য একটি ভুয়া নম্বর প্রদর্শন করে থাকে। এসব অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Tracebust অ্যাপ। তবে প্রাথমিকভাবে এর ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য টাকা দিয়ে কিনতে হবে। সূত্র: পদ্মানিউজ

ফোন করবেন। কথা বললেন। অথচ আপনার নম্বরটি থাকবে না রিসিভারের কাছে। যাকে বলে ম্যাজিক। পুরোদমে ফ্ল্যাটিং আর নো কেস। পড়ে নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে ? কী করে এটা সম্ভব?
আরে বাপু সব তো অ্যাপসের কেরামতি। নানা ধরনের অ্যাপ অবশ্য আগে থেকেই রয়েছে। তবে সেগুলি ব্যবহার করার জন্য একটি ভুয়া নম্বর ব্যবহার করতে হয়।
কিন্তু এখন আর এই সব ঝামেলা নেই। জেনে নিন, কিভাবে মোবাইল নম্বর গোপন রেখে কল করা যায় তার নিয়মাবলী।
Voxox, Lifehacker, Spoofcard, Tracebust, CallerIDFaker- এসব অ্যাপের সাহায্যে কাওকে ফোন করার সময় বদলে ফেলা যায় নিজের মোবাইল নম্বর। এক্ষেত্রে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর আসল নম্বর লুকিয়ে রাখে এবং ব্যবহারকারীর দেওয়া অন্য একটি ভুয়া নম্বর প্রদর্শন করে থাকে।
এসব অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Tracebust অ্যাপ। তবে প্রাথমিকভাবে এর ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য টাকা দিয়ে কিনতে হবে।

সূত্র: পদ্মানিউজ

মোবাইল থেকে ডিলেট হয়ে যাওয়া ছবি-ভিডিওসহ সব কিছু ফিরিয়ে আনুন ১ মিনিটে! (ভিডিওসহ)

মোবাইল থেকে ডিলেট হয়ে যাওয়া ছবি-ভিডিওসহ সব কিছু ফিরিয়ে আনুন ১ মিনিটে
মোবাইল থেকে ডিলেট হয়ে যাওয়া ছবি-ভিডিওসহ সব কিছু ফিরিয়ে আনুন ১ মিনিটে
আমাদের সকলের মোবাইলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছবি, ভিডিও এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থাকে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো যদি কোনভাবে ডিলেট হয়ে যায় তাহলে অনেক সময় বিপদে পরতে হয় কারন তা আর ফিরে পাওয়া যায় না।

ইন্টারনেটের বদৌলতে এমনটাও সম্ভব। এখন থেকে মুহুর্তেই ফিরে পেতে পারেন ডিলেট হয়ে যাওয়া ছবি-ভিডিওসহ যে কোন ফাইল। আজ আমরা আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনার মোবাইল থেকে ছবি-ভিডিওসহ গুরুত্বপূর্ণ যে কোন ফাইল ডিলেট হয়ে গেলে কিভাবে তা ফেরত পাবেন।

ইউটিউব হেল্প বিডি এর পাঠকদের জন্য সরাসরি ভিডিও টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে সরাসরি দেখানো হলো কিভাবে ডিলেট হওয়া ফাইলগুলো ফেরত পাবেন। নিছে ভিডিওটি দেখুন।



ধন্যবাদ আমাদের আমাদের সাথে থাকার জন্য।

Facebook এ কেউ Message দিলে-আপনি তার মেজেস দেখবেন কিন্তু-সে বুজবেই না!

আজকের বিষয়, Facebook এ কেউ Message দিলে-আপনি তার মেজেস দেখবেন কিন্তু-সে বুজবেই না যে আপনি তার মেসেজ দেখেছেন !

এক কথায় Unseen Message/No last Read ??

দরকারি জিনিস সমুহ

  • এখানে ক্লিক করুন সফটয়ার টি ডাউনলোড করার জন্য Download
  • আমরা কাউকে মেসেজ দিলে কিভাবে বুঝি সে মেসেজ পড়েছে কিনা (নিচের ছবি দেখুন)
  • মেসেজের সাথে যখন ছবি চলে আসে তখন ??(2 No phone থেকে মেসেজ 1 No phone দিয়েছি)
 Facebook এ কেউ Message দিলে-আপনি তার মেজেস দেখবেন কিন্তু-সে বুজবেই না!
এখন আপনি উপর থেকে সফটয়ার টি ডাউনলোড করেন
এবং এই সফটয়ার দিয়ে ফেচবুকের মেসেজ দেখেন তাহলে আপনার প্রিয় জন বুজতে পারবে না যে আপনি তার মেসেজ দেখেছেন !!!

বুজতে না পারলে নিচের ভিডিও টি দেখুন



ভিডিও বার্তা
এখানে এই টিপস টি একটি মেয়ে উপস্থাপন করেছে এবং আমি বুজিয়েছি
ভালো লাগলে  দেখবেন ভিডিওটি _ভিডিওর ভিতরে কি আছে সব বলে দিয়েছি !! ধন্যবাদ সবাইকে

চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল নিজেই জানাবে চোরের মোবাইল নম্বর ও অবস্থান!! BY :- ebangla

শখের মোবাইলটি হারিয়ে গেছে , খুব কষ্টে আছেন? হঠাৎ করেই চোরের নাম্বারটি তার অবস্থান সহ আপনার হাতে  এসে পড়ল। বীর দর্পে সেই নাম্বারে ফোন করে ভাব জমিয়ে চোরকে চায়ের দাওয়াত দিয়ে এলাকায় এনে ফেললেন।
অথবা প্রথমেই নাম্বার পুলিশকে দিয়ে দিলেন , আইনী সহায়তায় ফিরে পেলেন হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিবহুল আদরের সেই ফোনটি ।  কেমন হবে বলুন তো ব্যাপারটা ।
চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল নিজেই জানাবে চোরের মোবাইল নম্বর ও অবস্থান!!
চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল নিজেই জানাবে চোরের মোবাইল নম্বর ও অবস্থান!!
হয়ত  কথা গুলো শুনে কেও খুব খুশি আবার কেও খুবই রেগে গেছেন। 
নো চিন্তা ডু ফুর্তি ,  এখনই  বলব  এন্ড্রয়েডের সেই উপকারী এপস এর কথা। যেটি আপনার মোবাইলে কোন সিম ব্যাবহার হচ্ছে তা আপনাকে জানিয়ে দিবে।

এপসটির নাম হচ্ছে  Sim Card Change notifier . প্লে স্টোর থেকে ফ্রীতেই ডাউনলোড করতে পারবেন গেমটি ।   এই হচ্ছে এপস এর লিংক Sim Card Changer Notifier

এপস টি ইন্সটল করার পর এপসটি দেখবেন আর খুজে পাচ্ছেন না।  এটি ইন্সটলের সাথে সাথেই হাইড হয়ে যায়। ডিফল্ট এপ হিসেবে সেট করলে চোর সাহেব নিজেও এপস রিমোভ করতে পারবে না। 
ইন্সটলের পর প্লে স্টোরে আবার এপসটির নাম লিখে সার্চ করুন সেখান থেকে ওপেন করতে পারবেন। অথবা মোবাইলের কী প্যাডে ##7777 ডায়াল করুন।
চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল নিজেই জানাবে চোরের মোবাইল নম্বর ও অবস্থান!! BY :- ebangla
 এই রকম একটি স্ক্রীন আসবে । সেখানে Owner name এর জায়গায়  নিজের নাম লেখুন  এবং  Trusted Number এ সেই নাম্বারটি দিবেন  যেখানে আপনি ম্যাসেজ পেতে চান । অর্থাৎ ট্রাস্টেড নাম্বারেই আপনার ম্যাসেজ চলে যাবে ।
চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল নিজেই জানাবে চোরের মোবাইল নম্বর ও অবস্থান!! BY :- ebangla
এবার ছবিতে দেয়া লাল মার্ক করা অংশে প্রেস করে সেটিংস  এ যান  , ২ নং অপশনের Number to show the app সিলেক্ট করুন ।  পছন্দমত ৬ ডিজিট এর নাম্বার দিন , যদিও এপস এ আগে থেকেই  ##7777  নাম্বারটি সেট করা থাকে। তাই এটিও রাখতে পারেন।
এবার তার নীচের লোকেশন সেন্ডিং টাইম ইন্টারভ্যাল সেট করে ফেলুন।

ব্যাস আপনাদের এপস কাজ করার জন্য রেডি।

এখন থেকে যখন ই কোন নতুন সীম প্রবেশ করানো হবে, সাথে সাথে তার বর্তমান অবস্থান এবং মোবাইল নাম্বার সহ চলে আসবে আপনার কাছে।

যেই অ্যাপগুলো স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে !

স্মার্টফোনে গেম খেলতে কে না ভালোবাসে। এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম হওয়ায় প্লেস্টোরে হাজারো অ্যাপের পসরা। তবে সব অ্যাপেই যে মোবাইলের জন্য উপকারী তা কিন্তু নয়। এর মধ্যেও কিছু কিছু অ্যাপ আছে, যেগুলো ব্যাবহারে আয়ু কমে যায় ব্যাটারির। মোবাইল সিকিউরিটি ফার্ম এভিজি থেকে জানানো হয়েছে, এন্ড্রয়ডে এমন ১০টি অ্যাপ্লিকেশন আছে যা আপনার মোবাইল ব্যাটারির মারাত্মক ক্ষতি করে।
যেই অ্যাপগুলো স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে !
যেই অ্যাপগুলো স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে !
ক্যান্ডি ক্রাশ সাগা:
অনলাইন দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি খেলা গেমগুলির মধ্যে একটি ক্যান্ডি ক্রাশ সাগা। এভিজি জানিয়েছে, এই গেম মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ অনেক কমিয়ে দেয়, ব্যাটারির চার্জ ফুরোয় দ্রুত এবং ডেটা কনসামশন অনেক কমে যায়।
পেট রেসকিউ সাগা:
অনলাইনে এই গেমটিও খুব জনপ্রিয়। ক্যান্ডি ক্রাশের মতোই এই গেমটিও মোবাইলের ডেটা এবং স্টোরেজ কনসামশন অনেক কমিয়ে দেয়, ক্ষতি করে ব্যাটারির।
ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যান্স:
নেট দুনিয়ায় খুবই জনপ্রিয় এই মোবাইল গেম। কিন্তু এভিজির সতর্কবার্তা, এই গেম ব্যাটারির মারাত্মক ক্ষতি করে।
গুগল প্লে সার্ভিস:
গুগল প্লে সার্ভিস থেকে সারা দিন নিত্য নতুন অ্যাপ্লিকেশন বা গেম ডাউনলোড করছেন? সাবধান! এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি আপনার মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ তছনছ করে দেবে।
ওএলএক্স:
আজকাল বেশিরভাগেরই মোবাইলে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করা থাকে। কিন্তু এভিজি জানাচ্ছে, এই অ্যাপটি অধিক মাত্রায় ব্যবহার করলে ব্যাটারির চূড়ান্ত ক্ষতি হয়, ইন্টারনাল স্টোরেজ কমে।
ফেসবুক:
এভিজির তালিকায় ছ’নম্বরে রয়েছে ফেসবুকের নাম। এই অ্যাপটি স্মার্টফোন ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমিয়ে দেয়।
হোয়াটসঅ্যাপ:
সারা দিনই প্রায় এই অ্যাপটি ব্যবহার করেন গ্রাহকেরা। এভিজি জানাচ্ছে, এই মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যাটারিরও ক্ষতি করে।
লুকআউট সিকিউরিটি অ্যান্ড অ্যান্টিভাইরাস:
এই সিকিউরিটি অ্যাপটি মোবাইলে খুবই জনপ্রিয়। অ্যাপটি ভাইরাস এবং ম্যালওয়ারের হানা থেকে মোবাইলকে বাঁচালেও, ব্যাটারির মারাত্মক ক্ষতি করে বলেই জানাচ্ছে এভিজি।
ওয়েদার অ্যান্ড ক্লক উইজেট:
এভিজির তালিকায় ন’নম্বরে রয়েছে এই অ্যাপ। নেট অন থাকলেই চটজলদি আবহাওয়ার রিপোর্ট হাতে পাওয়া যায়। সঠিক সময়ও দেখিয়ে দেয় অ্যাপ। কিন্তু, মোবাইল ব্যাটারির জন্য এটি মোটেই ভাল নয়।
সলিটেয়ার:
জানেন মোবাইলে জনপ্রিয় এই অ্যাপটি ব্যাটারির জন্য কতটা ক্ষতিকর? এভিজি জানাচ্ছে, এই অ্যাপের বেশি ব্যবহারে মোবাইল ব্যাটারির আয়ু ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে খোলার উপায়, এক নজরে জেনে নিন !

প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে খোলার উপায় !
প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে খোলার উপায় !
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্রাইভেসির জন্য আমরা অনেকেই প্যাটার্ন লক ব্যবহার করে থাকি। এই লক খুবই কার্যকরী কারণ এই লক ওপেন করা ছাড়া কেউ ফোনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। আবার এই প্যাটার্ন নিজেই ভুলে গেলে দুর্ভোগের শেষ থাকে না। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে মোবাইল ফোন রিসেট কিংবা কাস্টমার কেয়ারে যাওয়া ছাড়া আপনার হাতে আর কোনো অপশন নাই। কেউ কেউ একে হার্ড রিসেট বলে কারণ এটি সেটের একচুয়্যাল ফ্যাক্টরি সেটিংস ফিরিয়ে আনে। আসুন জেনে নেই কিভাবে আমরা কোনো অ্যান্ড্রয়েড সেট রিসেট দেবো।

প্রথমেই ফোনটির সুইচ অফ করুন, এবার ব্যাটারি ১০ সেকেন্ডের জন্য রিমুভ করুন। আবার ব্যাটারি লাগিয়ে একসঙ্গে ‘up volume key’, ‘Power button’ এবং ‘Home button’ চেপে ধরতে হবে যতক্ষণ না Recovery Mode Screen আসে। স্যামসাং মোবাইলের ক্ষেত্রে উপরের পদ্ধতি কাজ করে।

আবার সিম্ফোনি কিংবা ওয়াল্টন মোবাইলের ক্ষেত্রে মডেল অনুযায়ী ‘up volume key’, ‘Power button’ কিংবা ‘Down volume key’, ‘Power button’ চেপে ধরলেই Recovery Mode Screen চলে আসে এক্ষেত্রে হোম বাটনে চেপে ধতে হয় না।

এরপর ভলিউম কী ব্যবহার করে কার্সর নিচে নামিয়ে ‘wipe data/factory reset’ অপশনে আনুন এবং সিলেক্ট করার জন্য হোমে বাটনে প্রেস করুন। এখন নিশ্চিত করার জন্য আরেকটি স্ক্রিন আসবে এখানে ‘Yes’ বাটন সিলেক্ট করতে হবে।

এবার কিছুসময় অপেক্ষা করুন রিসেট হওয়ার পর আপনার ফোন আপনা-আপনি চালু হবে, ততক্ষন অপেক্ষা করুন।

রিসেট করার সময় আপনাকে যা মনে রাখতে হবে:
১. ইন্টারনাল মেমোরি বা ফোন মেমোরির ইন্সটল করা সমস্ত অ্যাপ ও ডাটা হারিয়ে যাবে।
২. ফোন মেমোরিতে সেভ করা ফোন নাম্বার মুছে যাবে।
৩. আপনাকে আবারও আপনার প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ইন্সটল করে নিতে হবে।
৪. আপনার কাস্টমাইজ করা সমস্ত সেটিংস মুছে যাবে।
তথ্য ও ছবি : ওএস

সারা রাত ফোনে চার্জ? আপনার মোবাইল এর আয়ু কমছে কী?

সারা রাত ফোনে চার্জ? আপনার মোবাইল এর আয়ু কমছে কী?
সারা রাত ফোনে চার্জ? আপনার মোবাইল এর আয়ু কমছে কী?
ব্যাটারি জিরোতে নেমে আসার আগেই ফোনে চার্জ দেওয়া জরুরি। এটা তো আপনি জানেন। এর পাশাপাশি এটাও মাথায় রাখা প্রয়োজন, কখনই দরকারের চেয়ে বেশি সময় ধরে ফোন চার্জে বসিয়ে রাখা উচিত নয়। বিশেষ করে যাদের মধ্যে সারা রাত মোবাইল চার্জ করার প্রবণতা রয়েছে, তারা এখনই বদলে ফেলুন এই অভ্যাস।
গ্যাজেট গুরুরা জানাচ্ছেন, যারা নিজের স্মার্টফোন রাতে চার্জে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন, তারা গড়ে বছরে তিন থেকে চার মাস মোবাইল চার্জে ব্যয় করেন। এতে একদিকে যেমন ইলেকট্রিক বিল বাড়ছে, অন্যদিকে মেয়াদ ফুরোচ্ছে ফোনেরও।
তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোবাইল ফোনের চার্জ ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে গেলেই চার্জে বসান। এর থেকে বেশি চার্জ থাকলে মোবাইল চার্জে বসানোর কোনও প্রয়োজন নেই।
গ্যাজেট বিশেষজ্ঞরা আরও জানাচ্ছেন, মোবাইলের আয়ু বাড়াতে চাইলে চেষ্টা করতে হবে যথা সম্ভব মোবাইল ফোনকে ঠাণ্ডা পরিবেশে রাখতে। উচ্চ তাপমাত্রা থেকে যতটা সম্ভব স্মার্টফোনকে দূরে সরিয়ে রাখা যায়, ততটাই মঙ্গল।

যে ৭টি অ্যাপ আপনার জীবনযাত্রাকে করবে আরো সহজ!

যে ৭টি অ্যাপ আপনার জীবনযাত্রাকে করবে আরো সহজ!
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমানোর আগপর্যন্ত আর কিছু আমাদের সাথে থাক বা না থাক, আমাদের প্রিয় স্মার্টফোনটি কিন্তু আমাদের সাথেই থাকে। ক্যাম্পাসে, অফিসে, রাস্তাঘাটে, রেস্টুরেন্টে কিংবা দিন শেষে ঘুমানোর আগে নানা রকম কাজের ফাঁকে স্মার্টফোনটি সঙ্গ দেয় আমাদের। তাই আমরা চাইলেই এই স্মার্টফোনটির সাহায্যে আমাদের প্রতিদিনের অনেক কাজ করতে পারি খুব সহজে, বাঁচাতে পারি কিছুটা সময়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে করতে পারি আরেকটু সহজ।

আর আপনার দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করতেই স্মার্টফোনগুলোর জন্য রয়েছে এমন কিছু অ্যাপ, যার খবর হয়তো অনেকেই জানেন না। আপনার জীবনযাত্রাকে সহজ করে তুলবে এমন ৭টি অ্যাপ সাথে আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে।

১. গুগল অ্যাসিস্টেন্ট

গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে হয়তো আমরা অনেকেই চিনি। কিন্তু এর সঠিক ব্যবহার আমরা অনেকেই জানি না। আইফোনের ‘সিরি’ কিংবা উইন্ডোজ ফোনের ‘কর্টানা’ এর মতো অ্যান্ড্রয়েডের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) অ্যাসিস্ট্যান্ট হলো গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট। এটি আপনার ফোনে ইনস্টল করা থাকলে শুধু “Ok Google” করেই আপনি অনেক প্রয়োজনীয় কাজ সেরে ফেলতে পারবেন। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনার ভয়েস রিকগনাইজ করে আপনার বিভিন্ন আদেশ খুব সহজেই পালন করবে।

আজকের আবহাওয়া, গতকালের ক্রিকেট ম্যাচের রেজাল্ট কিংবা নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র সব কিছুই আপনি জেনে নিতে পারেন আপনার গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের কাছ থেকে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার এলার্ম কিংবা কোনো বন্ধুর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো সবকিছুই করে দেবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট।


অফিসের কাজ করতে করতে বিরক্ত হচ্ছেন? গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে আদেশ করুন, “Play my favorite songs.” আপনার পছন্দের গানগুলো গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনাকে শুনিয়ে দেবে। কোনো কারণে মন খারাপ? গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে বলুন “Tell me a joke.” গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কৌতুক শুনিয়ে আপনার মন ভালো করে দেবে।

২. সাজাম

মনে করুন, প্রিয়জন কিংবা বন্ধুদের সাথে আপনি কোনো রেস্টুরেন্টে গিয়েছেন। আপনারা গল্প করছেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে একটি সুন্দর গান বাজছে। আপনার খুব ইচ্ছা করছে গানটি ফোনে ডাউনলোড করে নিতে। কিন্তু আপনি গানটির নাম জানেন না। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে খুব সহজেই আপনার প্রিয় গানটির নাম জেনে নিতে পারেন সাজামের মাধ্যমে। কোথাও কোনো গান বাজছে? ওপেন করুন সাজাম। সাজাম গানটি শুনেই আপনাকে জানিয়ে দিবে গানের নাম। এমনকি গানটি ডাউনলোড ও গানটির মিউজিক ভিডিওটিও দেখার সুবিধা রয়েছে এই অ্যাপে। চাইলে গানের লিরিকটিও দেখে নিতে পারবেন আপনি।


ইংরেজি, বাংলা, হিন্দি, চাইনিজ সহ প্রায় সব ভাষার গানই আপনি খুঁজে পেতে পারেন এই অ্যাপটির সাহায্যে। ২০০টি দেশের প্রায় ২২৫ মিলিয়ন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী প্রতিনিয়ত সাজাম ব্যবহার করে থাকেন। তাই আপনি যদি একজন সংগীতপ্রেমী হয়ে থাকেন, তবে এখনই ডাউনলোড করে নিন এই অ্যাপটি।

৩. টোয়াইলাইট

আপনার কি রাতে ঘুমাতে অসুবিধা হয়? আপনি কি রাত জেগে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন? যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয়, তবে এই অ্যাপটি আপনার জন্য। অনেকেই আমরা রাতের বেলা লাইট অফ করে শুয়ে শুয়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে ভালবাসি। কিন্তু আপনি কি জানেন অন্ধকার রুমে স্মার্টফোনের দিকে ঘন্টার পর ঘন্টা তাকিয়ে থাকা আপনার চোখের জন্য কতটা ক্ষতিকর? স্মার্টফোনের স্ক্রিন থেকে নির্গত হওয়া ব্লু লাইট আমাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।


গবেষণায় দেখা গেছে, এই স্মার্টফোন থেকে বের হওয়া ব্লু লাইট ব্রেনের মেলাটোনিনের প্রোডাকশন কমিয়ে দেয়। মেলাটোনিন আমাদেরকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে। এছাড়াও দীর্ঘক্ষণ ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে ড্রাই আই সহ নানা রকম চোখের সমস্যা হতে পারে। তাই ফোনের স্ক্রীনের ক্ষতিকর ব্লু লাইট থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করতে ব্যবহার করুন এই অ্যাপটি। এই অ্যাপটি ফোনের উজ্জ্বল আলো কমিয়ে একটি ব্লু লাইট ফিল্টার স্ক্রিনে চালু করে দেয়। ফলে ক্ষতিকর ব্লু লাইট ফোনের স্ক্রিন থেকে নির্গত হয় না। আপনার চোখ থাকে সুরক্ষিত।

৪. ফরেস্ট স্টে ফোকাস্‌ড

আমাদের মধ্যে অনেকেরই স্মার্টফোন ব্যবহার করা একধরনের নেশায় পরিণত হয়েছে। একটু পরপর ফেসবুক ওয়াল চেক করা, কেউ মেসেজ দিল কিনা চেক করা কিংবা বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলা ইত্যাদির ফলে কোনো কাজে মনোযোগ দিতে প্রায়ই অসুবিধা হয় আমাদের। সামনে পরীক্ষা আছে, অনেক পড়া বাকি, পড়তে হবে। কিন্তু একটু পরপরই আপনি ফেসবুক চেক করছেন। আপনার মন চাইছে একটু গেম খেলি। চাইলেও মন দিয়ে পড়তে পারছেন না। ছোট্ট, সুন্দর একটি অ্যাপের সাহায্যে চাইলেই আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। অ্যাপটির নাম ফরেস্ট স্টে ফোকাস্‌ড।

এটি একটি সেল্ফ মোটিভেশন অ্যাপ। আসুন দেখি অ্যাপটি কীভাবে কাজ করে। মনে করুন, আপনি আগামী ২ ঘন্টার মধ্যে আর আপনার ফোনটিতে হাত দিতে চান না। আপনি এখন অ্যাপটি ওপেন করে একটি বনের মধ্যে একটি গাছের বীজ বপন করবেন এবং সময় সেট করবেন ২ ঘন্টা। এই দুই ঘন্টায় বীজটি থেকে একটি গাছ হবে। আপনি যদি এই দুই ঘন্টার মধ্যে ফোনটি হাতে নিয়ে অ্যাপটি থেকে বের হয়ে ফেসবুকিং কিংবা অন্য কিছু করেন, তবে আপনার গাছটি মরে যাবে। কিন্তু আপনি যদি দু’ঘন্টা ফোনে হাত না দেন, তাহলে বীজটি একটি সুন্দর গাছে পরিণত হবে। এভাবে কাজের সময় ফোন ব্যবহার না করে গাছ লাগিয়ে আপনি একটি সম্পূর্ণ বন তৈরি করতে পারবেন। ব্যাপারটা অনেকটা গেমের মতো। একটি গেমে যেমন কিছু কাজের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অ্যাচিভমেন্টের ফলে আমরা আনন্দ পাই, ঠিক তেমনি প্রতিটি গাছ বড় হলে আপনি আনন্দ পাবেন। আর তার সাথে আপনি প্রয়োজনীয় সময়ে ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার অভ্যাস করতে পারবেন।

৫. মাই ফিটনেস পাল

যারা শরীরের ওজন কমাতে বা বাড়াতে কিংবা শরীর ফিট রাখতে চান, তাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি অ্যাপ এটি।

এই অ্যাপটির সাহায্যে আপনি প্রতিটি খাবারের ক্যালরি দেখতে পারবেন এবং প্রতিবেলার খাবারের মোট ক্যালরির পরিমাণ হিসাব করতে পারবেন। এছাড়াও কোন এক্সারসাইজে কত ক্যালরি বার্ন হচ্ছে সেটাও আপনি হিসাব করতে পারবেন এই অ্যাপ দিয়ে। ফলে যারা সারাদিনে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালরির খাবার খেতে চান, তারা এই অ্যাপের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গোল সেট করে সারাদিনের খাবারের মাধ্যমে আপনি কত ক্যালরি গ্রহণ করছেন তার হিসাব রাখতে পারবেন। ফলে সহজ হবে আপনার ওয়েট গেইন কিংবা ওয়েট লুজের প্রক্রিয়া।

৬. অ্যাটমস্ফিয়ার

মনে করুন, সারাদিনের কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে আপনি বাসায় এসে একটু শান্তিতে বিশ্রাম নিবেন। কিন্তু পাশের রুমেই কেউ লাউড ভলিউমে টিভি দেখছে। কিংবা পাশের বাসায় ফুল ভলিউমে গান বাজছে। এমন পরিস্থিতিতে আপনার মন চাচ্ছে যদি বাসা ছেড়ে দূরে কোনো সমুদ্রের ধারে একা একা গিয়ে শুয়ে থাকতে পারতাম! কিংবা চুপচাপ জানলার ধারে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনতে পারতাম। আপনার এই চাহিদা পূরণ করতে আছে অ্যাটমস্ফিয়ার অ্যাপটি।


শুধু অ্যাপটি ওপেন করে আপনার পছন্দের জায়গা সিলেক্ট করুন। আর চোখ দুটো বুজে কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে বসে পড়ুন। আপনি চলে যাবেন আপনার পছন্দের রাজ্যে। এই অ্যাপটিতে রয়েছে সমুদ্র সৈকত, বন, ব্যস্ত শহর, পাখি ডাকা গ্রামের পরিবেশ সহ মোট আটটি পরিবেশ এবং ৮০টি সাউন্ড। এছাড়াও রয়েছে বাইনরাল বিটস যা আপনার ব্রেন ওয়েভ কন্ট্রোল করে আপনাকে দ্রুত রিল্যাক্স হতে কিংবা ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করবে। তাই চোখ বুজে ঝুম বৃষ্টি, নিঝুম বন কিংবা একাকী সমুদ্র সৈকতে হারিয়ে যেতে এখনই ডাউনলোড করে নিন অ্যাপটি।

 ৭. ড্রাগ ইনডেক্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

সবশেষে, আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো অতি প্রয়োজনীয় একটি অ্যাপের সাথে। অ্যাপটির নাম DIMS (Drug Index Management System)। অ্যাপটি তৈরি করেছে ITmedicus নামের একটি বাংলাদেশী ডেভেলপার টিম।


এই অ্যাপটির সাহায্যে আপনি বাংলাদেশের যেকোনো ঔষধ সম্পর্কে জানতে পারবেন। ওষুধ কখন খেতে হবে, ওষুধটি কীভাবে কাজ করে কিংবা ওষুধটির দাম- সব কিছুই আপনি পাবেন এই অ্যাপে। প্রয়োজনের সময় আমরা অনেকেই এই তথ্যগুলো খুঁজে পাই না। ফলে পড়তে হয় নানা সমস্যায়। এই অ্যাপটি ফোনে ইনস্টল করা থাকলে আপনাকে আর সেসব সমস্যায় পড়তে হবে না।
পোস্ট: roar

ইন্টারনেট অফার ১ জিবি ১০ টাকা

ইন্টারনেট অফার ১ জিবি ১০ টাকা
ইন্টারনেট অফার ১ জিবি ১০ টাকা
ইন্টারনেট অফার ১ জিবি ১০ টাকা:
Grameenphone দিচ্ছে এখন বন্ধ সিম অফার for the all inactive customers. এই অফারের অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকেরা পাবে ২ বারে ৫ টাকায় ৫০০ এম এম বি করে মোট 1GB 10 TK.
এর জন্য আপনার যা লাগবেঃ 
একটি অব্যবহৃত গ্রামীণফোন সিম যেটি গত দেড় মাস বা তার চেয়ে বেশি সময় বন্ধ ছিল।  প্রথমে আপনার একটি সচল গ্রামীণফোন সিম থেকে অব্যবহৃত গ্রামিনফোন সিমের নম্বরটি যাচাই করে নিন ।  
আপনার সিমটি এই অফারের আওতাভুক্ত আছে কিনা… যাচাই করতে আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন BHK ‍Your unused phone number এবং পাঠিয়ে দিন 9999 নাম্বারে।  BHK 017******** এবংপাঠিয়ে দিন 9999 নাম্বারে 

যদি এরকম “you are eligible for’ ম্যাসেজ পান তাহলে আপনি 10 টাকা খরচ করে 2 বারে 1 জিবি ইন্টারনেট ডাটা কিনতে পারবেন।  কিভাবে নিবেন সেটা দেখুন নিচের ভিডিওটি থেকে




এই ধরনের আরও অফারের খবর ও টেকনোলজি জগতের সর্বশেষ খবরা খবর পেতে আমাদের চ্যানেলটি সবসক্রাইব করে আমাদের সঙ্গে থাকুন।
ধন্যবাদ

আপনি কি চায়না সেট ব্যবহার করেন??? Do you use China Mobile Set ???

আসসালামুআলাইকুম, আমরা অনেকেই চায়না মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে থাকি । চায়না সেট দামে কম হলেও এতে আছে নানা সুযোগ সুবিধা। তেমনি কয়েকটি সুবিধার কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। ১. কল ব্লক- এর মাধ্যমে বিরক্তিকর ২০টি কলারকে ব্লক করে রাখতে পারবেন। অথ্যাৎ ওই নাম্বারগুলো থেকে আপনার মোবাইলে কল ডুকবেনা। ২.এস,এম,এস ব্লক- একিভাবে বিরক্তিকর কলারদের নাম্বারথেকে এসএমএস কেও ব্লক করে রাখতে পারবেন। ৩.মোবাইল ট্র্যাকার-এটি এমন এক পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনার মোবাইলে নির্দ্রিষ্ট সিমকার্ড ছাড়া অন্য সিম কার্ড ব্যবহার করা যাবে না।যদি আপনার সিম ছাড়া অন্য সিমকার্ড আপনার মোবাইলে ঢোকানো হয়ে থাকে তাহলে, ফাংশনটি অন করার সময় দেয়া নাম্বার সমূহে নতুন সিমকার্ডএর নাম্বার এসএমএস এর মাধ্যমে চলে যাবে। যার ফলে আপনার মোবাইল যদি কখনো্ হারিয়ে যায় তাহলে সহজেই চোরের মোবাইল নাম্বার আপনি পেয়ে যাবেন। এবার দেখি ফাংশনগুলো কোথায় পাব। ১. কল ব্লক- setting>>call setting>>blacklist ব্ল্যাক লিস্টে বিরক্তিকর কলারদের নাম্বার এ্যাডকরে ফাংশনটি অন করে দিন। ২.এস,এম,এস ব্লক- messaging>>text message>>sms settings>>sms blacklist ব্ল্যাক লিস্টে বিরক্তিকর কলারদের নাম্বার এ্যাডকরে ফাংশনটি অন করে দিন। ৩.মোবাইল ট্র্যাকার- settings>> security settings>>mobile track/ remote track মোবাইলের পাসওয়ার্ড দিয়ে track number অপশনে প্রবেশকরে মোবাইলে বর্তমান সিম ছাড়া অন্য সিম ডুকালে সে সম্পর্কিত মেসেজ যে নাম্বারগুলোতে যাবে সে নাম্বারগুলে সেট করে দিন এবং ফাংশনটি অন করে বেরিয়ে আসুন। বিঃদ্রঃ এটি চায়না মোবাইলের ডিফল্ট ফাংশন এর জন্য আপনার মোবাইল অপারেটর কোন টাকা কাটবে না। ভালো থাকবেন অনেক ভালো ,সব সময়।
:-আরিফ আহমাদ চৌধুরী

English Translate in google

AssalamuAllikum, many of us do not want to use mobile handsets. China sets prices low, but there are many opportunities available. Likewise, you will try to highlight some of the benefits. 1. You can block the annoying 20 callers through call block. Do not duck your mobile phone from those numbers. 2, M, S Block - You can also block the number of annoying callers by blocking the SMS. 3.Mobile Tracker - This is a method by which no SIM card can be used on your mobile without the specified SIM card. If the SIM card other than your SIM is inserted in your mobile phone, then the new SIM card number will be sent to the number of times the function is turned on. Can leave As a result, if your mobile is ever lost, you will easily get the thief's mobile number. Now let's see where the functions are. 1. Call Blocking- >> Call setting >> blacklist Black List Black busters caller number adder function on. SMS, M, S block-messaging >> text message >> sms settings >> sms blacklist Black list is the number of annoying callers, add the function to the function. 3.Mobile Tracker-settings >> security settings >> Mobile track / remote track mobile passwords with the track number option, enter the SIM number other than the current SIM in the mobile phone, set the number to the number in the register and exit the function. It is not for the default function of China Mobile, your mobile operator will not make any money. Good will be good, all the time.
: -Arif Ahmad Chowdhury

মোবাইল ফোনের ৫ টি অতি গুরুত্বপূর্ণ টিপস (যা সকলের জানা দরকার) | 5 Most Important Tips on Mobile Phones (All That Need to Know)

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।
আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম মোবাইল ফোনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ৫টি টিপস নিয়ে, যা সকলের জানা দরকার। তাহলে জেনে নেওয়া যাক অতি গুরুত্বপূর্ণ ৫টি জিনিস।
১। ইমারজেন্সিঃ এমন যদি হয় যে আমরা নেটওয়ার্ক কভারেজের বাহিরে আছি এবং কোন নেট খুজে পাচ্ছিনা সেক্ষেত্রে 112 এই ইমারজেন্সী নাম্ভার টি সব ফোন এর ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এটি যে কাজ করে তা হলো, এটি প্রেস করার সাথে সাথে ইহা আপনার জন্য নিকটবর্তী প্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্ক খুজে বের করবে এবং ঐ অপারেটর এর ইমারজেন্সি নাম্ভার টির সাথে আপনাকে কানেক্টেড করবে। এখন তো সবাই নেট কভারেজের মধ্যেই আছি তাইনা? এখুনি একবার ডায়াল করে দেখুন দেখবেন ডায়াল করলেই নাম্ভারটি দেখাবে না দেখাবে Emergency ! ২। গাড়ি আনলক করাঃ আপনার গাড়িতে যদি রিমোর্ট কন্ট্রোলড লক সিস্টেম থেকে থাকে এবং ধরুন কোণ একদিন ভুল করে চাবিটি গাড়ির ভেতরে রেখে দরজা লক করে দিলেন এবং অন্য কোণ উপায়েও খোলার সিস্টেম নেই তখন মোবাইল দিয়ে সেটি আনলক করতে পারবেন। আর সেজন্য অবশ্যই আরেকটি রিমোর্ট কন্ট্রোলড চাবি থাকতে হবে কিন্তু সেটি আপনার হাতে না থাকলেও চলবে। ধরুন ২য় চাবিটি বাড়িতে আছে, তাহলে বাড়িতে কাউকে ফোন করুন এবং মোবাইল টি গাড়ির ডোর লক এর এক ফুট পরিমান দুরত্তে ধরে রাখুন এবার ফোনের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তিকে বলুন মোবাইলের কাছে ধরে আপনার রিমোর্ট চাবিটির আনলক বাটন চাপতে। আশা করি কাজ হয়ে যাবে। চেষ্টা করে দেখুন। ৩। কথা ভালো বুঝতে পারছেন না কি করবেনঃ বিশেষ করে সকল নোকিয়া ফোনে এটি কার্যকর। বিভিন্ন সময় হঠাত করে আমাদের ফোনের ভয়েল ক্লিয়ারিটি কমে যায়, সবি ঠিক থাকে তাও কথা এমন অস্পষ্ট সেক্ষেত্রে ভয়েস ক্লিয়ারিটি বাড়াতে পারেন এই কোডটি চেপেঃ *3370# মোবাইল ফোন গুলো সাধারনত কিছু চার্জ রিজার্ভ করে আর এই কোডটি সাধারনত ওই চার্জ কে ব্যবহার করে ফোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, তবে এই কোড চালু রেখে দেয়া ঠিক নয় এতে ব্যাটারি দূর্বল হয়ে পড়ে । সুতরাং ব্যাবহারের পর #3370# চেপে এটাকে অফ করে রাখুন।
৪। ফোন চুরি হয়ে গেলেঃ এই টিপস টি আপনার ফোন টা হয়ত পুনরুদ্ধার করে দিতে পারবেনা কিন্তু যে আপনার ফোন টী নিয়েছে সে ওটাকে আর ব্যবহার করতে পারবেনা। এবং বিক্রিও করতে পারবেনা। সুতরাং চোরকে একটা উচিত শিক্ষা দিন এইভাবেঃ এক্ষুনি প্রেস করুন *# 06 # এরপর একটা সিরিয়াল কোড নাম্ভার দেখাবে সেটিকে কোথাও লিখে রাখুন। ফোনটা চুরি হয়ে গেলে আপনার সার্ভিস প্রোভাইডার কিংবা ফোন কোম্পানির কোণ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়ে এই নাম্ভার টি দিয়ে কাহিনি খুলে বলুন। ওরা ফোন অকেজো করে দিবে। এরপর চোর মহাশয় যখনি নতুন কোণ সিম ঢুকাবে ব্যাস ফোন চিরতরের জন্য মৃত্যুবরন করবে।
৫। মোবাইল কেনার সময় যাচাই করা উচিতঃ *#92702689# এই কোডটি চাপলে দেখতে পাবেন ফোনের সিরিয়াল নাম্ভার,কবে তৈরী করা হয়েছে অর্থাৎ ফোনটি লেটেস্ট কিনা,এর আগে কেউ ব্যবহার করলে ক্রয়ের তারিখ দেখাবে, ফোনটিকে রিপেয়ার করলে তার বিস্তারিত দেখাবে, যদি রিপেয়ার না করে থাকে তাহলে ০০০০ দেখাবে, ফোন থেকে কোন ডাটা ট্রান্সফার হয়েছে কিনা দেখাবে। আর এই তথ্যগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে হলে ফোনটি রিস্টার্ট দিতে হবে। বর্তমান স্মার্ট ফোনগুলোতে কাজ করে কিনা জানিনা তবে নোকিয়ার পূর্বের হ্যান্ডসেট গুলোতে কাজ করে। বিঃদ্রঃ এই মোবাইলের ৫টি টিপস থেকে আমি ৪টি কাজ করে দেখেছি কাজ হয়েছে বাকি ১টি টিপস কাজ করে দেখেনিয় আর তা হল ২ নম্বরটি আপনারা সমস্যায় পড়লে কাজ করে দেখতে পারেন।
টিউন করেছেন : হোছাইন আহম্মদ |

English translate in google

Assalamu Alaikum how are you all? Hope everyone is well. I am also good in the mercy of God by your mercy.
Today I came for you with 5 important tips on mobile phones, which all need to know. So let's know about five important things.
1. Emergency: If we are outside the network coverage and can not find any net, then 112 this emergency navaar is accessible to all phones, according to the available information, that is, as soon as you press it, it will find the nearest established network for you. And you will be connected to that operator's Emergency NAVA. Now everyone is in the net coverage, right? Just dial once and see if the name will not show the name Emergency! 2. Unlocking the car: If you have a remote controlled lock system in your car and hold the key one day incorrectly lock the key while inside the car and unlock the device on the other side, then there is no other opening system. And there must be another remote control key, but it will not be in your hands. Suppose if the second key is at home, call someone at home and keep the mobile phone locked at one foot of the door lock. Then tell the person on the other side of the phone to press the Unlock button on your Remote Key. Hope you will be working. Try it. 3. Do not understand what it is good to do: especially in all Nokia phones, this is useful. Suddenly, our phone's violet clarity decreases, if it is unclear, it can increase voice clarity by pressing this code: * 3370 # Mobile phones generally charge some charges, and this code generally increases the efficiency of the phone by using that charge. , But it is not OK to put this code on, the battery becomes weak. So after using it, keep it off by pressing # 3370 #.
4. If the phone is stolen: These tips may not restore your phone, but you can not use it for your phone. And you can not sell So, the thief should teach a lesson like this: press now * # 06 # Then write a serial code, and write it anywhere. When the phone is stolen, go to the customer care center at your customer service provider or phone company and tell the story open with this name. They will make the phone unusable. Then the thief will enter the new angle sim just as soon as the diameter of the phone will die.
5. Mobile purchase should be checked at: * # 92702689 # This code will appear by clicking on the serial name of the phone, when the phone is the latest, before anyone uses the date of purchase, the repair of the phone will show the details of it, if the repair is not done then 0000 will show if there is no data transfer from the phone. And to get out of this information, the phone will need to be restarted. Do not know whether the current smart phones work, but Nokia's previous handset works. BIDRA: I have seen 4 works from 5 tips on this mobile. The work has been done. The remaining 1 tips work in the list and it is 2 numbers that you can see if you are in trouble.
Tune-up: Hosain Ahmad |

দেখে নিন মোবাইল ফোনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু গোপনীয় কোড | Take a look at some of the key secret codes of the mobile phone

http://www.youtubehelpbd.com/2017/06/youtube-help-bd.html
দেখে নিন মোবাইল ফোনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু গোপনীয় কোড | Take a look at some of the key secret codes of the mobile phone

আস্-সালামু আলাইকুম! আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমি আজ আপনাদের যে টিপসটি শেয়ার করব তা হল বিভিন্ন ফোনের গোপন কোড ।
নোকিয়া মোবাইলে যেমন *#06# কোডে IMEI নম্বর এবং *#0000# কোডে ফোন সেটের উৎপাদনের তারিখ, সংস্করণ ইত্যাদি তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু এখন
তো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের যুগ। তাই আপনার প্রিয় স্মার্টফোনটির বিস্তারিত তথ্য জানতে কিছু গোপন কোড জানাটা নিশ্চয়ই খুব কাজে লাগবে।

 জেনে নিন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের তেমন কিছু গোপন কোড:


  • *#06# – IMEI নম্বর।
  • *2767*3855#– ফ্যাক্টরি রিসেট কোড (ফোনের সব তথ্য মুছে যাব...
  • *#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি সংক্রান্ত তথ্য।
  • *#*#273282*255*663282*#*#* – সব মিডিয়া ফাইল ব্যাক আপ হবে।
  • *#*#197328640#*#* – সার্ভিস টেস্ট মোড । 
  • *#*#1111#*#* – FTA সফটওয়্যার ভার্সন । 
  • *#*#1234#*#* – PDA এবং firmware ভার্সন । 
  • *#*#232339#*#* – WirelessLAN টেস্ট কোড । 
  • *#*#0842#*#* – ব্যাক লাইট ও ভাইব্রেশন টেস্ট কোড । 
  • *#12580*369 # – সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার ইনফরমেশন । 
  • *#*#2664#*#* – টাচস্ক্রিন টেস্ট কোড । 
  • *#9900# – সিস্টেম ডাম্প মোড ।
  • *#9090# – ডায়াগনস্টিক কনফিগারেশন । 
  • *#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফরমেশন। 
  • *#872564# – ইউএসবি লগইন কন্ট্রোল । 
  • *#301279# – HSDPA/HSUPA কন্ট্রোল মেনু। 
  • *#7465625#– ফোন লক স্ট্যাটাস । 
  • *#*#7780#*#* – ফ্যাক্টরি রিস্টোর সেটিং, গুগলঅ্যাকাউন্টসহ সব সিস্টেম ডাটা মুছে যাবে ।
  • *2767*3855#– ফ্যাক্টরি ফরম্যাট সেটিংসহ সব ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল ডাটা মুছে যাবে এবং ফার্মওয়্যার রি-ইন্সটল হবে । 
  • *#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি ইনফরমেশন ।
  • *#*#273283*255*663282*#*#* – ফাইল কপি স্ক্রিন, সব ইমেজ,
  • সাউন্ড, ভিডিও, ভয়েস মেমো ব্যাক আপ করা যাবে ।
  • *#*#197328640#*#* – সার্ভিস মোড কোড, বিভিন্ন টেস্ট ও সেটিং বদলানোর জন্য ।
  • *#*#7594#*#* – এই কোড এন্ড কল/পাওয়ার বাটনকে সরাসরি পাওয়ার অফ বাটনে পরিণত করবে ।
  • *#*#8255#*#* – G Talk সার্ভিস মনিটর কোড ।
  • *#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফরমেশন, ক্যামেরা ফার্মওয়্যার,

  • আপডেট অপশনটি ব্যবহার করবেন না- এতে আপনার ক্যামেরা ফাংশন বন্ধ
  • হয়ে যাবে  ।
  • W-LAN, GPS and BluetoothTest Codes:
  • *#*#232339#*#* OR *#*#526#*#* OR
  • *#*#528#*#* – W-LAN টেস্ট কোড, টেস্ট শুরু করার জন্য মেনু বাটন ব্যবহার করুন ।
  • *#*#232338#*#* – ওয়াইফাই ম্যাক অ্যাড্রেস ।
  • *#*#1472365#*#*- জিপিএস টেস্ট ।
  • *#*#1575#*#* – আরেকটি জিপিএস টেস্ট কোড ।
  • *#*#232331#*#* – Bluetooth টেস্ট কোড ।
  • *#*#232337#*# – Bluetooth ডিভাইসই ইনফরমেশন ।
  • *#*#0588#*#* – প্রক্সিমিটি সেন্সর টেস্ট ।
  • *#*#0*#*#* – এলসিডি টেস্ট ।
  • *#*#2664#*#* – টাচস্ক্রিন টেস্ট ।
  • *#*#2663#*#* – টাচস্ক্রিন ভার্সন ।
  • *#*#0283#*#* – প্যাকেট লুপ ব্যাক ।
  • *#*#0673#*#* OR *#*#0289#*#* – মেলোডি টেস্ট।
  • *#*#3264#*#* – র্যাম ভার্সন টেস্ট তথ্য সংগৃহিত।

ভাল লাগলে কমেন্ট করুন । সবাই ভালো থাকবেন। আল্লাহ্ হাফেজ।

translate english in google

As-Salamu Alaikum! Hope you are all good. The tips I'll share today are the secret codes of different phones.
Data is available on Nokia mobile such as * # 06 # IMEI number in the code and the date, version, etc. of the phone set in the # 0000 # code. But now
So the age of the Android phone So, knowing the details of your favorite smartphone, some secret code must be very useful.

 Learn about some of the secret codes of the Android phone:

* # 06 # - IMEI Number.
* 2767 * 3855 # - Factory reset code (delete all phone info ...
* # * # 4636 # * # * - Phone and battery information.
* # * # 273282 * 255 * 663282 * # * # * - Back up all media files.
* # * # 197328640 # * # * - Service Test Mode.
* # * # 1111 # * # * - FTA Software Version.
* # * # 1234 # * # * - PDA and firmware version.
* # * # 232339 # * # * - WirelessLAN test code.
* # * # 0842 # * # * - Backlight and Vibration Test Code.
* # 12580 * 369 # - Software and hardware information.
* # * # 2664 # * # * - Touchscreen Test Code.
* # 9900 # - System dump mode.
* # 9090 # - Diagnostic Configuration.
* # * # 34971539 # * # * - Camera Information.
* # 872564 # - USB Login Control.
* # 301279 # - HSDPA / HSUPA Control Menu.
* # 7465625 # - Phone lock status.
* # * # 7780 # * # * - Factory restore settings, all system data including Google account will be deleted.
* 2767 * 3855 # - All internal and external data including factory format settings will be deleted and firmware will be re-installed.
* # * # 4636 # * # * - Phone and battery information.
* # * # 273283 * 255 * 663282 * # * # * - File Copy Screen, All Images,
Sound, video, voice memo can be backed up.
* # * # 197328640 # * # * - Service mode code, to change different settings and settings.
* # * # 7594 # * # * - This code and call / power button will turn directly into a power off button.
* # * # 8255 # * # * - G Talk Service Monitor code.
* # * # 34971539 # * # * - Camera information, camera firmware,

Do not use the update option - it turns off your camera function
will be .
W-LAN, GPS and BluetoothTest Codes:
* # * # 232339 # * # * OR * # * # 526 # * # * OR
* # * # 528 # * # * - W-LAN test code, use the menu button to start the test.
* # * # 232338 # * # * - WiFi MAC Address
* # * # 1472365 # * # * - GPS Test
* # * # 1575 # * # * - Another GPS Test Code.
* # * # 232331 # * # * - The Bluetooth test code.
* # * # 232337 # * # - Bluetooth devices are information.
* # * # 0588 # * # * - Proximity Sensor Test.
* # * * # 0 * # * # * - LCD Test
* # * # 2664 # * # * - Touchscreen Test.
* # * # 2663 # * # * - Touchscreen version.
* # * # 0283 # * # * - Packet Loop Back
* # * # 0673 # * # * OR * # * # 0289 # * # * - Melody Test
* # * # 3264 # * # * - Ram version test information is collected.
If you like it, please comment. Everyone will be good. God Hafiz

সাইলেন্ট মোডে থাকা মোবাইল হারিয়ে গেলে খুঁজে পাবেন এই সহজ কৌশলে | Silent mode is lost in mobile, this simple technique!


অনলাইন ডেস্ক: এমনটা যে কোনও সময়েই হতে পারে যে, কোনও কারণে আপনি আপনার মোবাইল ফোনটি সাইলেন্ট অবস্থায় রেখেছেন, সেই সময়েই হঠাৎ দেখলেন মোবাইলটি খুঁজে পাচ্ছেন না। সাধারণ ভাবে মোবাইল কাছে-পিঠে কোথাও লোপাট হলে, অন্য কোনও ফোন থেকে নিজের নম্বরটি ডায়াল করাই সেই ফোনকে খুঁজে পাওয়ার সহজতম পন্থা। মোবাইলটি বাজতে শুরু করলেই সেই আওয়াজ অনুসরণ করে সহজেই আপনি খুঁজে পেয়ে যাবেন মোবাইলটি। কিন্তু ফোন যদি সাইলেন্ট মোডে থাকে তাহলে এই কৌশল কার্যকর হবে না। তা হলে সেই অবস্থায় কীভাবে খুঁজে পাবেন সেই হারানো মোবাইল? জেনে নিন, কৌশল।

১. প্রথমে অন্য কোনও মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে গুগল-এর ওয়েবসাইটে যান।

২. সেখানে সার্চ বারে লিখুন ‘ফাইন্ড মাই ফোন’।

৩. তার পর গুগল অ্যাকাউন্ট বা জিমেইল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।

৪. নিজের মোবাইলের লোকেশন দেখতে পাবেন গুগল-এ।

৫. এর পর আপনার সামনে অপশন আসবে, যেটির মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইজ ম্যানেজারটি ‘অন’ করে দিতে পারবেন।

৬. এ বার ‘রিং’ অপশনটিকে সিলেক্ট করুন।

৭. আপনার ফোন সাইলেন্ট মোডে থাকলেও সেটি ফুল ভলিউমে রিং হতে শুরু করবে। এবং যতক্ষণ না আপনি ফোনটিকে খুঁজে বার করে তার পাওয়ার বাটনটি চেপে ধরছেন, ততক্ষণ ফোন রিং হতেই থাকবে। এ বার সেই আওয়াজ

অনুসরণ করে ফোনটিকে খুঁজে বার করা তো কোনও ব্যাপারই নয়।

এই একই পদ্ধতিতে আপনি আপনার হারানো অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব-ও খুঁজে পেতে পারেন। তবে একটাই বিষয় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। সেটা এই যে, আপনার ডিভাইস থেকে অবশ্যই গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করা থাকতে হবে। নতুবা এই পদ্ধতিতে হারানো মোবাইল খুঁজে পাবেন না।

Translate English in Google

Online Desk: It can be any time that you have kept your mobile phone silent for some reason, at that time suddenly you can not find the mobile. Generally, the easiest way to find the phone is to dial your number from any other phone if it's lost somewhere on the mobile phone. When you start playing the sound then the sound of the phone will easily find you the mobile. But if the phone is in silent mode, then this strategy will not work. How to find the lost mobile in that situation? Know, tactics

1. Go to Google's website from any other mobile or computer first.

2. Enter 'Search My Phone' in the search bar.

3. After that sign in to Google account or Gmail account.

4. You can see your mobile location in Google.

5. After that you will have an option that will allow you to 'on' your Android's Android Device Manager.

6. Select this time 'ring' option.

7. While your phone is in Silent mode, it will begin to ring in full volume. And as long as you find out the phone and pressing its power button, the phone will keep ringing. At that time the voice

Following the phone is no problem.

In this same way you can find your lost Android tab. But one thing you have to be careful about. That is, you must be signed in to your Google Account from your device. Otherwise lost mobile phone will not be found in this system.

iLike Android Data Recovery Pro 1.8.8.8 FREE


DOWNLOAD link 1

DOWNLOAD link 2


iLike Android Data Recovery Pro 1.8.8.8 Final is a superb application that enables you to reestablish lost information from Android gadgets, recoup erased Android records particularly when information evacuated by slip-up. The program gives us the chance to recuperate a wide range of data, for example, instant messages, contacts or telephone numbers. What's more, the application enables you to recuperate connections with MMS, media documents, and notwithstanding recouping Android route history. Recoup lost information from Samsung S2/S3/S4/S5/S6, HTC, LG, Sony, Motorola, and so forth.

iLike Android Data Recovery Pro 1.8 Key Features:

iLike Android Data Recovery Pro 1.8.8.8 Serial Number can help you recoup designed Android cell phone contacts, call log, photographs, video, music, and so forth. There is no compelling reason to freeze on the off chance that you missed an imperative contact, messages or on the off chance that you need to discover a record that has been erased. You can recover the name, phone number and email address of each contact in your Android gadget and spare them in VCF/CSV/HTML. On account of messages, the substance, the sender and the date on which data can be recovered and spared in the same previously mentioned groups. On account of call history, name, telephone number, date, sort of call and term will be shown.

Recoup established or manufacturing plant reset Android utilizing iLike Any Data Recovery Pro Crack Registration Key Free. Just interface your Android gadget to PC by means of USB. Amid the recuperation, don't begin some other Android telephone administration programming. The product will consequently filter and reestablish Android documents lost because of cancellation, OS blunder, establishing or infection assault.

iLike Android Data Recovery Pro 1.8 Installation Instructions:

Open [android_data_recovery_pro.exe] and install the software.
Close the program completely and open “registry.reg” and merge it to system.
That’s all. Enjoy iLike Android Data Recovery Pro 1.8 Full Version Download.

সেলফোনে সিম কার্ড কেন প্রয়োজনীয়! সিম ছাড়া কি সেলফোন চালানো সম্ভব!

আজকের সেলফোন গুলো দিনের পরে দিন আরো উন্নতি লাভ করছে—কিন্তু এখনো পর্যন্ত সেলফোন গুলো নেটওয়ার্কের জন্য সিম কার্ডের উপর নির্ভরশীল। আপনার ফোনটি যতোই স্মার্ট হোক আর যতোই দামী হোক না কেন, সিম কার্ড ছাড়া এর প্রায় অর্ধেক মূল্যই নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই সিমকার্ড আসলে কি? কেন এটি এতোবেশি গুরুত্বপূর্ণ? সিম ছাড়া কি সেলফোন চালানো সম্ভব? চলুন এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি।


  • সিম কার্ড কি?



সেলফোনের জগতে প্রধানত দুই ধরনের মোবাইল বিশ্বব্যাপী গ্রাহকগনদের জন্য ব্যবহারযোগ্য; জিএসএম (GSM) (গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল) এবং সিডিএমএ (CDMA) (কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাক্সেস)। জিএসএম ফোন গুলোতে শুধু সিমকার্ড ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, যেখানে সিডিএমএ ফোনে সিমের প্রয়োজন নেই। সিম-কার্ড প্রধানত একটি ছোট আকারের কার্ড—যেখানে একটি ছোট চিপ লাগানো থাকে, এবং এটি প্রত্যেকটি জিএসএম ফোন কাজ করার জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় একটি জিনিষ। সিম-কার্ড ছাড়া জিএসএম ফোন গুলো কখনোই নেটওয়ার্ক টাপ করতে পারে না। শুধু এটুকুতেই নয়, এই কার্ডের মধ্যে সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবস্থান করে।

সিডিএমএ অপারেটর তাদের সকল ফোন গুলোর একটি সম্পূর্ণ তালিকা রাখে—যাতে তারা সেই ফোন গুলোকে তাদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার অ্যাক্সেস প্রদান করতে পারে। এই ফোন গুলোকে তাদের ইএসএন (ইলেক্ট্রনিক সিরিয়াল নাম্বার) ব্যবহার করে ট্র্যাক করা হয়, ফলে এই ফোনে কোন সিম-কার্ডের প্রয়োজন পড়ে না। ফোন সক্রিয় করার পরে সিডিএমএ ফোন সরাসরি এর মোবাইল নেটওয়ার্কের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা শুরু করে।
অ্যামেরিকাতে প্রায় বেশিরভাগ মোবাইল অপারেটর সিডিএমএ ভিত্তিক সেবা প্রদান করে থাকে। তবে কোন কোন মোবাইল অপারেটর একসাথে সিডিএমএ এবং জিএসএম উভয় সেবা প্রদান করে থাকে। অ্যামেরিকাতে সিডিএমএ সেবা দেওয়া হলেও বিশ্বব্যাপী কিন্তু জিএসএম সবচাইতে বেশি জনপ্রিয়। এমনকি বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটর সিটিসেল প্রধানত জিএসএম সেবা প্রদান না করার কারণে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
  • সিম কার্ড কীভাবে কাজ করে?

সিম কার্ডের মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ডাটা থাকে, তার মদ্ধে প্রধান হলো আইএমএসআই (IMSI) (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল সাবস্ক্রাইবার আইডেনটিটি) এবং একটি অ্যথন্টিকেশন কী (যা আইএমএসআই যাচাই করে)। এই অ্যথন্টিকেশন কী টি আপনার মোবাইল অপারেটর প্রদান করে থাকে। এই সম্পূর্ণ সিস্টেমটি কীভাবে কাজ করে তা পরিষ্কার করে জানবার জন্য নিচের স্টেপ গুলো দেখুন;

সেলফোনে সিম লাগিয়ে ফোন অন করা মাত্র সেলফোন সিম থেকে আইএমএসআই গ্রহন করে এবং তা নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে দেয়—এবং অ্যাক্সেস পাওয়ার জন্য নেটওয়ার্কের কাছে অনুরোধ পাঠায়।
নেটওয়ার্ক সেই আইএমএসআই কে গ্রহন করে এবং অ্যথন্টিকেশন কী প্রদান করার জন্য অভ্যন্তরীণ ডাটাবেজ চেক করে।
এবার নেটওয়ার্ক একটি এলোমেলো নাম্বার উত্পাদন করে, মনেকরুন সেটি “ক”, এবং এই নাম্বারটিকে অ্যথন্টিকেশন কী এর সাথে সাইন করে আরেকটি নতুন নাম্বার উত্পাদন করে, মনেকরুন সেটি “খ”। এবার নেটওয়ার্ক নাম্বারটিকে পাঠিয়ে দেয় আপনার সিমের বৈধতা যাচায় করার জন্য।
আপনার সেলফোন নেটওয়ার্ক থেকে সেই নাম্বারটি গ্রহন করে এবং সিমের কাছে পৌছিয়ে দেয়। এই নাম্বারটির সাথে অ্যথন্টিকেশন কী যুক্ত করা থাকে এবং এটি সিমে পৌঁছে আরেকটি নতুন নাম্বার “গ” উৎপন্ন করে—এবং এটিকে আবার নেটওয়ার্কের কাছে পৌছিয়ে দেয়।
এখন যদি নেটওয়ার্ক নাম্বার “ক” সিম কার্ড থেকে আসা নাম্বার “গ” এর সাথে মিলে যায় তবে নেটওয়ার্ক আপনার সিমকে বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করবে এবং সিমটির অ্যাক্সেস গ্র্যান্টেড হবে।
আর এই কারনেই সিম ব্যবহার করা এতো সুবিধা জনক, যখন আপনি এটিকে কোন নতুন ফোনে প্রবেশ করাবেন। সিমের মধ্যে নেটওয়ার্কের সাথে লগইন করার পরিচয়পত্র আগে থেকেই দেওয়া থাকে। ফলে যেকোনো ফোনই খুব দ্রুত নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্টেড হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে সিডিএমএ পদ্ধতিতে নতুন ফোন পাল্টানো অনেক মুশকিলের কাজ, কেনোনা এতে সরাসরি ফোনটিই নেটওয়ার্কের সাথে নিবন্ধিত থাকে।

প্রত্যেকটি সিমে একটি অদ্বিতীয় আইডেন্টিফায়ার থাকে, যাকে আইসিসিআইডি (ICCID) (ইন্টাগ্রেটেড সার্কিট কার্ড আইডেন্টিফায়ার) বলা হয়। এই আইডেন্টিফায়ারটি কার্ডে সংরক্ষিত রাখা হয়। আইসিসিআইডি ৩টি নাম্বার ধারণ করে—একটি আইডেন্টিফাইং নাম্বার সিম কার্ড ইস্যুকারীর জন্য, আরেকটি আইডেন্টিফাইং নাম্বার থাকে অ্যাকাউন্ট তথ্যের জন্য এবং তৃতীয় নাম্বারটি প্রথম এবং দ্বিতীয় নাম্বারের এক্সট্রা সিকিউরিটি দেওয়ার জন্য কাজ করে।

এছাড়াও সিম কার্ড আরো অন্য ধরনের ডাটা সংরক্ষিত রাখার ক্ষমতা রাখে; যেমন- কন্টাক্ট লিস্ট ডাটা এবং এসএমএস ম্যাসেজ। বেশিরভাগ সিমে ৩২-১২৮ কিলোবাইট ডাটা সংরক্ষিত রাখার মতো জায়গা থাকে। সিমে এই ডাটা সংরক্ষন করার জায়গা থাকার উদ্দেশ্য হলো, আপনি সিমটি এক ফোন থেকে আরেক ফোনে স্থানান্তর করলে যাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলোর ব্যাকআপ থাকে। তবে এখনকার স্মার্টফোন গুলোতে আরো অনেক আধুনিক ব্যাকআপ সিস্টেম থাকে। তাছাড়া আজকের দিনের ফোন গুলোতে ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিতেই সকল কন্টাক্ট লিস্ট ডাটা এবং এসএমএস ম্যাসেজ জমা করে রাখে। ফলে সিম কার্ড শুধু নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস পাওয়ার জন্যই ব্যবহৃত হয়।

  • লক সিম কি?


আসলে সিম কখনো লক থাকে না, জিএসএম ফোন গুলো লক করা থাকে। জিএসএম ফোনে এমন একধরনের সফটওয়্যার ইন্সটল করা থাকে যাতে ফোনটি শুধু মাত্র নির্দিষ্ট কোন নেটওয়ার্ক কেই অ্যাক্সেস করতে পারে। যদি নির্দিষ্ট সিম ফোনে প্রবেশ করানো না হয়, তবে ফোনটি কাজ করতে পারে না। আর এটি তখনই ঘটে যখন আপনার ফোন লক করা থাকে।

ফোন আনলক করার অর্থ হলো, ফোনটিতে নির্দিষ্ট সিম ব্যবহারের লিমিটকে মুছে ফেলা, যাতে ফোনটি অন্যান্য নেটওয়ার্ক সমর্থন করতে পারে। অনেক সময় ফোনের দাম কমানোর জন্য এবং নির্দিষ্ট অপারেটরের সাথে ফোন কোম্পানির চুক্তি থাকার জন্য ফোন লক করে বাজারজাত করা হয়। অনেক সময় বিদেশ থেকে কেউ নতুন উপহারের ফোন নিয়ে এসে দেশে ব্যবহার করতে পারে না, কেনোনা ফোনটি লক করা থাকে। ফোনটি ব্যবহার করার জন্য অবশ্যই আনলক করা প্রয়োজনীয়।

সিম সম্পর্কে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা আপনার জানা দরকার—প্রিপেইড সিম কার্ড। এই সিমের জন্য আপনাকে কোন প্লান কিনতে বা সাবস্ক্রাইব করতে হয় না, এটি অনেক সস্তা এবং সাশ্রয়ী হয়ে থাকে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ মোবাইল সাবস্ক্রাইবারগন প্রিপেইড সিম ব্যবহার করে। তবে অনেক দেশ রয়েছে যেখানে মানুষ টিউন পেইড সিম ব্যবহার করে।

  • শেষ কথা

একটি ফোন থেকে আরেকটি ফোনে মুভ করার সময় সিম কার্ড অনেক উপকারী ভূমিকা পালন করে। হয়তো এই সুবিধার কারনেই আমরা এখনো সিম প্রযুক্তির সাথে চিপকে লেগে আছি। তবে সিম হারিয়ে ফেলা কিন্তু সত্যিই বিরক্তিকর ব্যাপার, কেনোনা এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে। আশা করছি আজকের টিউনটি অনেক জ্ঞান সমৃদ্ধ ছিল। আপনি সিম এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পর্কে অনেক কিছু জানলেন। আপনার যেকোনো প্রশ্নে নিচে টিউমেন্ট করতে পারেন, আমি সকল টিউমেন্টের রিপ্লাই করি! আর টিউনটি বেশিবেশি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

মোবাইল নাম্বার দিয়ে চেক করুন আপনার বন্ধুর বর্তমান অবস্থান!

চরম একটি Android Software। আমি প্রতিদিন কিছুনা কিছু এন্ড্রয়েড apps আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।আমি সবসময় ভালো কিছু শেয়ার করার চেষ্টা করি। এটি এমন একটি এপ যা দিয়ে আপনি আপনার বন্ধু/পরিবারের সদস্য ঠিক কোথায় আছে তা আপনি মোবাইল নাম্বার এর সাহায্যে ম্যাপের মধ্যে দেখতে পারবেন। তো আপনি তো বুঝতেই পারছেন যে এটা কি ধরণের এপ। তো ডাউনলোড করুন।


File Name:Phone Tracker–GPS Tracking.Apk Download:Softwareটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে।


BY: mahmudul.dhaka

জলে আর নষ্ট হবে না সাধের স্মার্ট ফোন!!

জল থেকে স্মার্ট ফোন বাঁচাও। বাজারে এসে গিয়েছে এমন স্মার্টফোন, যেটি জলে ভাসবে। অ্যানড্রয়েড ওএস-এর এই স্মার্ট ফোনের নাম রাখা হয়েছে কমেট। ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট কিংবা শুধু ওয়াটার প্রুফ নয়, এই ফোন জলে রীতিমত ভেসে থাকে। জল কিংবা লিক্যুইড ড্যামেজের কোনও সম্ভাবনাই নেই। আরও খুশির কথা এই ফোনের ডিজাইন করেছেন বেঙ্গালুরুর এক যুবক। নাম প্রশান্ত রাজ।

এই নতুন ধরনের স্মার্ট ফোনে থাকছে ৪.৭ ইঞ্চির স্ক্রিন, ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এছাড়া রয়েছে ফোর জিবি রাম, কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮১০, টুজি হার্জের অক্টাপ্রসেসর। তাছাড়া, ফোন চলবে শক্তিশালী ব্যাটারির মাধ্যমে। এ ধরনের স্মার্ট ফোনগুলিতে আরও থাকছে একটি মুড রেকগনাইজার। তাতে লাগানো থাকছে বায়োমেট্রিক সেনসর। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর শরীরের তাপমাত্রাও মাপা যাবে। আর তাপমাত্রা অনুসারে প্রতিভাত হবে আলো।
ইনডিগোগোর দেওয়া তথ্য অনুসারে, প্রতি বছর প্রচুর স্মার্ট ফোন জলে পড়ে নষ্ট হয়। এই সংখ্যাটা বিপুল। ৮২ মিলিয়নেরও বেশি। এবার আর জলে পড়ে ফোন নষ্ট হওয়ার কোনও ভয় রইল না। নতুন জমানার স্মার্ট ফোনের ডিজাইনার প্রশান্ত ইতিমধ্যে ইনডোগোগোর তরফে প্রচার চালিয়েছেন। বেশ ভালো সাড়া পেয়েছেন। বাজার থেকে উঠেছে আড়াই লক্ষ ডলার।
আর একটা হিসাব জেনে রাখা কাজের। জলে বাঁচোয়া ৩২ জিবির হ্যান্ডসেটের দাম পড়ছে ২৪৯ ডলার। আর ৬৪ জিবি মডেলের দাম পড়বে ২৮৯ ডলার।