ব্লগস্পট ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করুন | Add a Google Adsense Ads Popup Box to the blogspot blog

আজ আমি আরেকটি গুরত্বপূর্ণ ব্লগার Widget আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যারা ব্লগে Google AdSense সহ বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেন, তারা এই Popup Box টি ব্যবহার করে অনেক লাভবান হতে পারবেন। কারণ কেউ যখন আপনার ব্লগে ভিজিট করবে তখন এই Popup Box টি ব্লগের মধ্যখানে শো করবে, যা সবার দৃষ্টিগোচর হবে। ফলে দেখা যাবে আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন ক্লিক বেড়ে যাবে। আর আপনি নিশ্চয় জানেন যে, বিজ্ঞাপন ক্লিক বেড়ে যাওয়া মানেই হচ্ছে আপনার ব্লগের আয় বাড়া।

ব্লগস্পট ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করুন #Add.a.Google.Adsense.Ads.Popup.Box.to.the.blogspot.blog #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স একাউন্ট #google adsense কি #ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়

অনলাইনে টাকা উপার্জনের যত উপায় আছে তার মধ্যে Google Adsense হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। Google Adsense হতে নিঃসন্দেহে দীর্ঘ দিন যাবৎ অনলাইন হতে ভালমানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। শুধুমাত্র আপনার ইচ্ছা এবং কিছু পরিশ্রম থাকতে হবে। আসলে আমাদের আজকের বিষয় Google Adsense হতে টাকা আয় করা নিয়ে নয়। আমি আজ দেখাবে কিভাবে ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করবেন। এটি Widget ফরমেটে হওয়া ব্লগে যুক্ত করার জন্য কোন প্রকার বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হবে না। নিচের ছোট ট্রিকসটি ফলো করলেই এটি আপনার ব্লগে খুব সহজে যুক্ত হয়ে যাবে।

কিভাবে যুক্ত করবেনঃ  
  1. প্রথমে আপনার ব্লগে লগইন করুন।
  2. ব্লগার ড্যাশবোর্ড হতে Layout এ ক্লিক করুন।
  3. উপরের অথবা যে কোন লেআউট হতে Add Gadget এ ক্লিক করুন। নিচের চিত্রে দেখুন -
ব্লগস্পট ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করুন #Add.a.Google.Adsense.Ads.Popup.Box.to.the.blogspot.blog #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স একাউন্ট #google adsense কি #ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়

  1. তারপর HTML/JavaScript এ ক্লিক করুন।
ব্লগস্পট ব্লগে Google AdSense বিজ্ঞাপনের Popup Box যুক্ত করুন #Add.a.Google.Adsense.Ads.Popup.Box.to.the.blogspot.blog #গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল #গুগল এডসেন্স একাউন্ট #google adsense কি #ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়
  1. এবার নিচের কোডগুলি কপি করে HTML/JavaScript এর ঘরে পেষ্ট করুন।

সহজে গুগোল অ্যাডসেন্স পেতে এবং ট্রাফিক সমস্যার সমাধান পেতে দেখে নিন কিছু কার্যকরী ট্রিক্স | Take some easy tips to get Google Adsense and solve traffic problems

পৌষ্ট টি কপিকৃত tips4blog থেকে।

সম্পূর্ণ টিপস পরবেন। এখানে আমি যেটুকু জানি সেটুকুর শর্টকার্ট আর পুরোপুরি বলার চেষ্টা করেছি। আশা করি গুগোল অ্যাডসেন্স সহজে হাতে পাওয়া আর ট্রাফিক নিয়ে কোন সমস্যা হবে না কখনও । বিশেষ করে ট্রাফিক নিয়ে সমাধান বেশি দিয়েছি। কারন ট্রাফিক থাকলে যে কোন কিছু জয় করা সম্ভব। আর ফেসবুক মার্কেটিংয়ের একটা টুল নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

ট্রাফিক সমস্যার সমাধান

যেই মুহূর্তে আপনি ট্রাফিক নিয়ে চিন্তাই আছেন আমি ধরে নিলাম আপনি ভাল ভাবে SEO পারেন । আর এটার উপরে ভাল ধারনা না থাকলে আপনি এখনি টিপসটা না দেখে চলে যেতে পারেন । আজ আমি শুধু ফেসবুক ট্রাফিক নিয়ে কথা বলব । আর আগামি তে Twitter আর Youtube ট্রাফিক নিয়ে আলোচনা করা যাবে । এই তিনটা করতে জানলে আর ইউনিক টিপস দিতে পারলে আপনার সাইট ট্রাফিকের সাগরে ভাসবে ইন-শা-আল্লাহ্‌। তবে হ্যাঁ ট্রিক শেয়ার করছি ভাল কথা কিন্তু এর মানে এই নয় যে আপনি একেবারে শুধু ঘুমাবেন আর হাজার হাজার ভিজিটর আপনার সাইটে আসবে। আপনাকেও পরিশ্রম করতে হবে। তবে, ট্রিকগুলো জানা থাকলে সহজ পরিশ্রমে বেশি ভিজিটর আনা সহজ হয়ে যাবে ।

চলুন তাহলে ফেসবুক ট্রাফিক নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করা যাক:

আপনি ৫ টা আইডি খুললেন । প্রত্যেকটা আইডি কিন্তু আলাদা আলাদা ব্রাউজারের আলাদা আলদা প্রাইভেট উইন্ডোতে চালু রাখতে হবে। আর হ্যাঁ সবগুলো কিন্তু মেয়ে আইডি আর হট কিছু পিক দিয়ে সাজিয়ে নিবেন। এখন কাজ ফ্রেন্ড বারানো আর কিছু গ্রুপে অ্যাড হওয়া।

আপনার কিছু সমালোচনা মুলক পেজে খুজে বের করতে হবে। এটা আপনার কাজ। যেমন ধরুন বাংলাদেশে রেডিওমুন্না বা এমন অনেক পেজ আছে যেখানে দেখবেন কিছুক্ষণ পর পর নতুন টিপস দেই সেখানে হাজারো লাইক আর কমেন্ট। এমনি কিছু ইন্টারন্যাশনাল পেজ বের করতে হবে যেখানে আপনার কাজ কমেন্ট করা আর অন্য যারা যারা কমেন্ট করছে সেগুলোতে লাইক দেয়া আর কিছু রিপ্লাই দিবেন। দেখবেন অনেক ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট আসা শুরু হয়েছে।

আর কিছু হট পাবলিক গ্রুপ খুজে বের করুন যেখানে টিপস করলে অ্যাপ্রুভ হয়ে যায়। এমন কিছু কিছু গ্রুপে যুক্ত হয়ে যান। এরপর সেই গ্রুপের বাম সাইটে দেখবেন মেসেজ অপশন আছে। সেখানে ক্লিক করে ৫০ জনকে সিলেক্ট করুন। তারপর একটা পিক দিয়ে একটা মেসেজ পাঠান। এভাবে ২০০ জনকে পাঠান।

http://www.youtubehelpbd.com/2017/06/take-some-easy-tips-to-get-google.html

দেখবেন রিকুয়েস্ট আসা শুরু করছে। এভাবে দুই বা তিনটা ভাল গ্রুপে এই কাজ করেন আর কিছু ভাল পেজে এমন কমেন্টে এই কাজটা করেন। ভালোভাবে করতে পারলে আশা করা যায় ২ বা ৩ ঘণ্টার মধ্যে ৩০০০ ফ্রেন্ড হয়ে যাবে। আরো কিছু গ্রুপেও যুক্ত হয়ে যান।

এভাবে প্রত্যেকটা আইডিতে একি কাজ করেন। ৩ ঘণ্টার মধ্যে ভাল রেজাল্ট পাওয়া শুরু করছেন। এখন কাজ ভালোভাবে মার্কেটিংয়ের।

আপনার সাইটের একটা হট টপিক নিয়ে টিপস করেন আর সেই টিপসটাতে ৫০ জনকে ট্যাগ করেন। কমেন্টে ম্যানশন করেন ৫০০ জনকে।

এখন কাজ মেসেজ মার্কেটিংয়ের। মেসেজে গিয়ে একটা গ্রুপ মেসেজ বক্স ওপেন করেন তারপর ৭০ জন করে এক একটা গ্রুপে অ্যাড করা শুরু করেন। আর এমন একটা মেসেজ দিবেন যারা ঐ গ্রুপের ৭০ জন যখন মেসেজটা দেখবে তারা যেন আপনার ওয়ালে এসে টিপসটা দেখার জন্য ক্লিক করে। এভাবে ৭০ জন করে আলাদা আলাদা ৫ টা মেসেজ বক্স ওপেন করে এই কাজ করবেন।

এখন কাজ গ্রুপ মার্কেটিংয়ের। যেগুলো গ্রুপে যুক্ত হয়েছেন সেগুলোতে সুন্দর করে টিপস করেন। খুব নিখুঁতভাবে টিপস করতে হবে।

ইভেন্টের কাজ এখন। আপনি একটা ইভেন্ট খুলে সেখানে সুন্দর করে টিপস আর লিঙ্ক পেস্ট করে ঐ ইভেন্টে সবাইকে ইনভাইট করুন। এতে করে যারা যারা ইভেন্টে আসবে তাদের মধ্যে কিছু ক্লিক অবশ্যই পাবেন। আপনার টপিকের উপর কিছু ভাল ইভেন্ট খুজে বের করে ৪ বা ৫ টাতে টিপস করুন।

এখন কাজ নিজের গ্রুপে মেম্বার অ্যাড করে। নিজে একটা হট গ্রুপ খুলুন। সেখানে আপনার ফ্রেন্ডগুলোকে অ্যাড করুন। কোন ধরনের স্ক্রিপ্ট দিয়ে অ্যাড করবেন না তাহলে তাদের কাছে কোন গ্রুপে অ্যাড হওয়ার নটিফিকেশন যাবে না। একটা ক্রম এক্সটেনশন আছে সেটা হল এটা খুবই ভাল একটা টুল। কারন এটা যাদেরকে গ্রুপে অ্যাড করবে তাদের সবার কাছে নটিফিকেশন যাবে। নটিফিকেশন গেলে কিছু লোক গ্রুপে এসে গ্রুপটা দেখার চেষ্টা করবে। আর তখন আপনি যে গ্রুপে টিপস করেছেন সেটা দেখতে পারবে। আর সেখান থেকেও অবশ্যই কিছু ক্লিক পাবেন।

এখন পেজের কথায় আসি। একটা পেজ খুললেন। মানে প্রতিদিন পেজ খুলবেন আর সেখানে কিছু টিপস করে সবাইকে এক ক্লিকে ইনভাইট করবেন। এতে করে যারা যারা লাইক দিবে তারা অবশ্যই দেখবে আপনার টিপসগুলো আর সেখান থেকেও ভাল ক্লিক পাবেন আশা করা যায়।

এভাবে কাজ করলে আশা করা যায় এক একটা আইডি থেকে আপনি মিনিমাম ৫০০ ভিজিটর ড্রাইভ করানো ব্যাপার না। একটা আইডি থেকে ১০০০ ভিজিটরও ড্রাইভ করানো যায়। সেটা নির্ভর করবে আপনার প্রতিদিন কাজ শেখা আর চর্চার উপর। কারন আপনি যখন এগুলো করতে যাবেন তখন আরও অজানা জিনিস জানতে পারবেন যেগুলো আপনার আজীবন কাজে দিবে।

তবে আমি কিছু টুল ব্যবহার করি যেগুলো ব্যবহার করে কাজ করা অনেকটা সহজ হয়ে যায়। টুলটার কাজ নিয়ে কিছু কথা বললাম। টুলগুলো নিচে দেয়া হল।

  • Group Member Add – এক ক্লিকে সব মেম্বারকে ম্যনুয়ালি অ্যাড করা যাবে।
  • Event Invitation – এটা দিয়ে এক ক্লিকে ইনভাইট করতে পারবেন।
  • Video Downloader – যেকোন ভিডিও ডাউনলোড দিতে পারবেন।
  • Invite all friends in just one click – এক ক্লিকে ম্যনুয়ালি সবাইকে ইনভাইট করতে পারবেন।
  • গ্রুপ টিপসিং টাইম সেট করে দিয়ে আপনি সব গ্রুপে ম্যনুয়ালি টিপস করতে পারবেন।
  • Group Member Tag দারুন এই একটা টুল। কারন এটা দিয়ে আপনি গ্রুপের সব মেম্বারকে কমেন্টে ট্যাগ করতে পারবেন। আর এটা করতে গেলে ব্যান্ড হবেন না। কারন অটো ডিলিট করে দিবে টুলটি। কিন্তু, নটিফিকেশন যাবে সবার কাছে।
  • Add all friends as group admin – এটা করলে আপনি যাদের গ্রুপ এর অ্যাডমিন বানালেন ঐ গ্রুপে টিপস করা মাত্র সবার কাছে নটিফিকেশন যাবে আজীবন।
  • Message All Friends at Once
  • Suggest your friend to another friend
  • Extraction Group Email
  • Extraction Friends Email
  • Extraction Phone number
  • Unlike All page
  • Unfriend All
  • Reject request
  • Delete all comment at once
  • and Much More and More

টুলটা দিয়ে অনেক অনেক কাজ অতি সহজে করা যায়। যদি টুলটির প্রয়োজন হয় তাহলে ০১৯৬৫৮০৫০৬৩ এই নাম্বারে আমার সাথে কন্টাক্ট করতে পারেন। আরও অনেক কথা যেগুলো বলে শেষ করা গেলোনা ফেসবুক মার্কেটিং সম্পর্কে। এগুলো আপনি আস্তে আস্তে ব্যবহার করবেন প্র্যাকটিকাল করবেন আর শিখবেন। আরো ট্রাফিকের প্রয়োজন হলেও যোগাযোগ করতে পারেন।

গুগোল অ্যাডসেন্স সমাধান

এখন আসি অ্যাডসেন্সের ব্যাপারে। একটা কথা বলে রাখি গুগোল অ্যাডসেন্স বাংলাদেশ থেকে পাওয়া খুব বেশি কঠিন। এখন না বললেই চলে। যাই হোক তবুও অ্যাডসেন্স আমরা ব্যবহার করছি। সেটা হল USA অ্যাডসেন্স কারন এটা পাওয়া খুবই সহজ যদি আপনার ভাল কোন গ্রুপ বা USA তে কেও একজন থাকে। যারা বাংলাদেশ থেকে গুগোল অ্যাডসেন্স আইডি বিক্রি করে তারা কোন না কোন গ্রুপের সাথে জরিত যারা পিন ভেরিফাই সহ সব কাজ করে দেয় তবে তাদের সাথেও ডিলের মাধ্যমে।

ছোট্ট একটা ট্রিক বলি। যেমন ধরুন আপনি ফাইবারে একটা টিপস করলেন আপনার দরকার অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট। তাহলে সেখান থেকে আমেরিকা সিলেক্ট করে দিয়ে আপনি এই জিনিসটা দিতেও পারেন। আবার ধরুন ওডেস্কেও এমন কাজ দিয়ে দেশ সিলেক্ট করে দিলেন আমেরিকা তারপর এমন কাজ টিপস করলেন এভাবেও পেতে পারেন। এগুলো এভাবে না আসলে ট্রিক এমনি হতে পারে সেটাই বললাম। বা আপনি কিছু গ্রুপ খুজে বের করলেন সেখান থেকেও এই কাজটা করে নিতেন বাহিরের গ্রুপের মেম্বারদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে।

যাই হোক আপনি যেটা করবেন। একটা নিচ নিয়ে সাইট তৈরি করুন খুব ভালোভাবে ইউনিক আর্টিকেল দিন। ভালোভাবে এস ই ও করে হিটলিপ ব্যবহার করে কিছু দিনের মধ্যে আলেক্সা কমান। তারপর আপনার যদি আমেরিকাতে কেও থাকে তার মাধ্যমে একটা ইমেইল খুলে সেখান থেকে অ্যাপ্লাই করান। দেখবেন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আপ্প্রুভ হয়ে যাবেন। তবে সবকিছু তার কম্পিউটার দিয়েই করতে হবে। কিছু দিনের মধ্যেও আপ্প্রুভ হতে পারেন। তারপর অ্যাড কোড নিয়ে এসে বসিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন। তারপর ২০ ডলার পার হলে পিন ভেরিফাই তার ঠিকানা দিয়ে করে নিতে হবে। পিন ভেরিফাই করে নিলেই কাজ শেষ। এখন আপনার কাজ খুব খুব ইউনিক টিপস করা অল্প অল্প সুন্দর এস ই ও করা আর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর ড্রাইভ করানো।

তবে আপনাদের যদি গুগোল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হয় তাহলে আমি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট সেল করি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আর ট্রাফিকও আমরা সেল করে থাকি । আপনার প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৯৬৫৮০৫০৬৩ এই নাম্বারে, আর স্কাইপে আমি – Prince.Tuutuul

আজকের মত এখানেই শেষ করলাম আগামি তে টুইটার আর ইউটিউব মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা হবে, ভাল থাকবেন।


English in Google translate:

Take full tips. Here's what I know about the shortcut and try to fully say. I hope Google Adsense is easily available and there will be no problem with traffic. Especially given the solution with traffic. Because if there is traffic, it is possible to win anything. And a tool for Facebook marketing is also discussed.

Solving traffic problems

At the moment you are thinking about traffic, I assume you can SEO well. And if you do not have good ideas on it, then you can not go away without looking at the tips. Today I will just talk about Facebook traffic. And in the next Twitter and Youtube traffic can be discussed. If you know these three things, you can give unique tips, your site will float in the sea of ​​traffic in-sha-Allah. But yes it is good to share tricks but this does not mean that you will just sleep and thousands of visitors come to your site. You have to work hard. However, knowing the tricks will make it easier to get more visitors easier.

Let's share some things about Facebook traffic:

You open 5 IDs. Each Id, but the separate alarms of different browsers should be enabled in the private window. And yes, all but girls ID and hot pick up with some peaks. Now working friends and adding to some groups.

You have to find some criticism on Mulk page. It's your job For example, in Bangladesh there are many raidemunna or many pages where you will see new tips after a few days there are thousands of likes and comments. Likewise, some international pages have to be posted where your work is to be commented and others who are commenting will like them and give some reply. You will see that many friend requests have started coming.

Find out more hot public groups, where tips get provoked. Join some of these groups. Then there are message options on the left side of the group. Click here to select 50 people. Then send a message with a pick. Thus send 200 people.

You see, the request is starting to come back. Thus, this work is done in two or three good groups, and this is done by some good page comments. If you can do well, it is expected that in 3 or 3 hours 3000 friends will be made. Join some more groups too.

Thus, on every ID, do the same thing. Starting to get good results in 3 hours. Now work well marketing

Tips on making a hot topic for your site and tagging 50 people in those tips. 500 people in the comment

Now working message marketing. Going to the message, a group opens the message box and then started adding 70 to one group. And a message that 70 people in that group will see the message when they come to your wallet and click to see the tips. Thus, 70 people will do this by opening 5 different message boxes.

Now job group marketing Make tips that are grouped together. To make the tips very accurately.

Now the work of the event. Invite everyone to the event by opening an event and pasting the tips and links there. By doing so, there are some clicks among those who come to the event. Find some good events on your topic, at 4 or 5 tips.

Now add members to their own group of jobs. Open yourself a hot group. Add your friends there. If you do not add any kind of scripts, they will not be able to add a group to their notifications. There is a sequence extension that is a very good tool. Because it will give notifications to all those who add it to the group. Some people will try to see the group when the notification is done. And then you can see the group you have tips. And from there you will also get some clicks.

Now come to the words of the page. Open a page This means that every day the pages will be opened and there are some tips to invite everyone with one click. Those who like to do this will certainly see your tips and better clicks from there.

If you work like this, then you are not able to drive a minimum of 500 visitors to a single ID. It can also drive 1000 visitors from an ID. It will depend on your daily learning and practice. Because when you are going to do this, you will know more unknown things that will work for your lifetime.

But I use some tools that make working a lot easier. I talked about the work of the tooler. The tools are given below.


  • Group Member Add - All subscribers can be manually added to one click.
  • Event Invitation - It can be invoked with one click.
  • Video Downloader - You can download any video.
  • Invite all friends in just one click - you can invite everyone to one click.
  • By setting up Group Tipping Time, you can make manual tips in all groups.
  • Group Member Tag This is a great tool. Because with it you can tag all the members of the group in the comments. And if you do this, do not be a band. Because the tool will delete the tool. But, notification can be made to everyone.
  • Add all friends as group admin - If you do this, you will be able to make the group's admin.
  • Message All Friends at Once
  • Suggest your friend to another friend
  • Extraction Group Email
  • Extraction Friends Email
  • Extraction Phone Number
  • Unlike All page
  • Unfriend All
  • Reject request
  • Delete all comment at once
  • And Much More and More


Many tools can be done very easily with the tool. If the tool is needed then 01965805063 can contact me at this number. There are many more things that can be said about Facebook marketing. You will use them gradually and do practical and learn. You can also contact more traffic if needed.

Google AdSense solution

Now let's talk about AdSense. One thing to say is that Google Adsense is very difficult to get from Bangladesh. It does not matter now. However, AdSense is still used by us. That is USA AdSense because it is very easy to find if you have a good group or one in the USA. Those who sell Google Adsense IDs from Bangladesh, they are related to a group of people who do all the work including PIN Verifier, but also deal with them.

Call a little trick. For example, if you have a tips on fiber, you need AdSense account. If you choose America from here then you can give this thing. Again, Odessa also selected the country with such a task, then America could get the job done by doing so. That is not the way it can be such a trick that I can say. Or you have found some groups from here, you also got the job done with the members of the outside group.

Whatever you do, whatever. Create a site with a bottom, give a very unique article. Between the seconds of using SEO and hitting the loop properly, Then if you have someone in America, open an email and apply from there. You will be seen to be Apurvu within a few hours. But everything will be done through his computer. In some days, you can become an Aphrwh. Then you can start working with the add code. If you have $ 20 then you'll have to get the PIN Verify with its address. After verifying the pin, the job is done. Now your work is very unique, it is a little too nice to be done and visitors to social media drive.

But if you need a Google AdSense account, then I can contact AdSense account to sell it. And we also sell traffic. You can contact if you need 01965805063 in this number, and Skype i - Prince.Tuutuul

Today, as it is today, I will talk about twitter and youtube marketing in the future, be good.

Blogger Tutorial In Bangla part - 1 | কিভাবে ব্লগ/ওয়েব সাইট তৈরি করবেন

Google Adsense এর বিজ্ঞাপন বাংলা ব্লগে কি ভাবে ব্যবহার করবেন।



আমরা জানি বিশ্বের সবচেয়ে পাওয়ারফুল ও আস্থাযোগ্য বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা হলো google adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা তথা গুগল অ্যাডসেন্স। বিভিন্ন কারণে এই অ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপন অন্যান্য অ্যাড ইউনিট থেকে শ্রেষ্ঠ। এর মধ্যে রয়েছে টপিক অনুযায়ী বিজ্ঞাপন প্রদর্শণ। গুগল অ্যাডসেন্স এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো একটি এপ্রুভড অ্যাডসেন্স একাউন্ট দিয়ে ৫০০টি ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রদর্শণ করানো যায়।

কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য google adsense এর বিজ্ঞাপন বিভিন্ন ভাষায় তাদের অ্যাড সাপোর্ট করলেও বাংলা ভাষায় এখন পর্যন্ত অ্যাডসেন্স অ্যাড শো করেনা। একটি হলো অ্যাডসেন্স এপ্রুভড করানো আরেকটি হলো অ্যাডসেন্স অ্যাড শো করা। এপ্রুভড তো দূরে থাক এখন পর্যন্ত্য বাংলা সাইটে গুগলের অ্যাড শো ই করে না।

গুগল কেন বাঙালী জাতীতে তাদের অ্যাড ব্যবহারের সুবিধা দিচ্ছে না? কখন আমরা বাংলা ভাষায় গুগল অ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারব? আদৌ পারব কিনা? হাজারো প্রশ্ন আমাদের মনে . সম্প্রতি শোনাও যাচ্ছে গুগল নাকি অ্যাডসেন্স কে বাংলা ভাষায় অনুমোদ দিচ্ছে।

এতক্ষণ শুনলেন হতাশার কথা! এবার আপনাদের আশার কথা শোনাবো। গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য বাংলা ভাষা অনুমোদন দিক না দিক আমরা বাঙালিরা বাংলা ভাষায় অ্যাডসেন্স ব্যবহার করবই।

আজকের এই টিউন প্রকাশের পর যতসব আলতু ফালতু বিজ্ঞাপন ব্যবহার বন্ধ করে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞাপন গুগল অ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপন আপনার ব্লগে ব্যবহার করুন।

যা করতে হবেঃ

বাংলা ব্লগে গুগল অ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপন দেখাতে হলে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো নিচের কোডটি আপনার গুগল অ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপনে যোগ করতে হবে।

google_language = 'en';
কিভাবে কোডটুকু ব্যবহার করবেন?

আপনার অ্যাড কোডের এই অংশের –

google_ad_width = 300;
google_ad_height = 600
নিচে কোডটুকু যোগ করে দিন।

ব্যাস!! কাজ শেষ !!!

এবার আপনার কোডগুলো ব্লগার/ওয়ার্ডপ্রেস বা যে কোন ধরণের বাংলা ওয়েবসাইটে যোগ করে দেখুন প্রদর্শন করছে ঝকঝকে তকতকে গুগল অ্যাডসেন্স এর বিজ্ঞাপন!!

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো এভাবে বিজ্ঞাপন প্রদর্শণ করলে আপনার আর্টিক্যাল এর সাথে মিল রেখেই বিজ্ঞাপন প্রদর্শণ করবে J আপনার আর্টিক্যালে দু একটি যে ইংরেজি শব্দ লিখবেন তার উপর ভিত্তি করেই অ্যাড শো করবে।


আপনি যদি আপনার টিউনে কোন ইংরেজি শব্দ নাও ব্যবহার করেন তার পরও কিন্তু গুগল এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শণ করবে ঠিক ঠাক ভাবে। তো নো চিন্তা ডু অ্যাডসেন্স!!

Google Adsense এর শ্রেষ্ঠ বিকল্প বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান RevenueHits । ইনকাম করুন খুব সহজ উপায়ে




আমরা প্রায় সকল ওয়েবমাস্টারই কম বেশি গুগল এ্যডসেন্স একাউন্টের জন্য অনেক চেষ্টা করি। কেউ খুব সহজেই পেয়ে যাই আবার কেউ অনেক চেষ্টা করেও পাননা। গুগল এ্যডসেন্স এখন ডিম পাড়া মুরগির মতন। গুগল এ্যডসেন্স একাউন্ট পাওয়া যতটা কঠিন, একাউন্টটিকে ঠিকঠাক রাখা তার চেয়েও কঠিন। কেননা গুগলের অনেক বাধ্যবাধকতা আছে। যা মেনে চলা অনেক কঠিন। অনেক ক্যাটাগরির সাইট বিশেষ করে এডাল্ট, কপি-পেস্ট, ডাউনলোডিং সাইটেতো গুগল এ্যডসেন্স ব্যবহারই করা যাবেনা। ব্যবহার করলেই একাউন্ট ব্যান হবে। তাই আজকে আমি Google Adsense এর শ্রেষ্ঠ বিকল্প বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান সাইট সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। সাইটটির নাম RevenueHits. নিচে সাইটটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করছি। কিভাবে রিভিনিউহিটস ব্যবহার করবেন সেটা একদম পোষ্টের শেষে পাবেন। তবে তার আগে রিভিনিউহিটস সম্পর্কে জেনে নিন।


RevenueHits একটি ইসরাইল ভিত্তিক অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যা একটি ওয়েবসাইটের ট্রাফিক থেকে অর্থ উপার্যন করতে সহায়তা করে। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে। এটি ইসিপিএম এর মধ্যে সর্বোচ্চ $30 পর্যন্ত বহন করে এবং এটি একটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। এরা বিজ্ঞাপনদাতার চাহিদার তুলনায় প্রকাশকের আনা ট্রাফিকের ওপর নির্ভর করে অফার বা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে থাকে। এটি দেশ ভিত্তিক লক্ষপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক তথ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক।

  • RevenueHits কিভাবে অর্থ প্রদান করে ?

RevenueHits সম্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে এটি এড ইম্প্রেশন বা ক্লিকে অর্থপ্রদান করেন না। এটি সিপিএ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান যেমন- কর্ম ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান।
বর্তমানে সিপিএ নেটওয়ার্ক গুলো বিজ্ঞাপন ইম্প্রেশন বা ক্লিকের ওপর অর্থ দেয়না বরং ব্যবহারকারীর কর্মের ওপর অর্থ দেয়। ব্যবহারকারীর কর্ম যেকোন ধরনের হতে পারে যেমন, ওয়েবসাইট ভিজিট, ইউজার ইমেইল, আইডি, মোবাইল নম্বর, অন্যান্য তথ্য, কোন সফটওয়্যার ইনিস্টল বা একাউন্ট তৈরি ইত্যাদি ইত্যাদি যা বিজ্ঞাপনদাতা চায়। সুতরাং বিভিন্ন ফোরাম সাইটে বল্গারদের পোষ্ট বা মন্তব্যে আপনার দ্বিধাবোধ হতে পারে যে 10000 ভিজিটরে প্রতিদিন $50 - $60 ইনকাম হয় আবার অন্য দিন বা অন্য ব্লগারের কোন ইনকামই হয়না।
RevenueHits ব্যবহার করে অনেকেই অল্প ট্রাফিক বা ভিজিটর দিয়ে দিনে $5 - $10 ইনকাম করছে।
তবে RevenueHits এর বিশেষ একটি দিক হচ্ছে এটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান। মনে করুন আপনি ইউ.কে তে আছেন আপনার কাছে কখনই ইউ.এস ভিত্তিক আমাজনের বিজ্ঞাপন প্রকাশ হবেনা। আপনার কাছে ইউ.কে ভিত্তিক কোন লক্ষ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে। ফলে ইসিপিএম রেটটাও বেশি থাকবে এবং সর্বোচ্চ উপার্যনের সুযোগ থাকবে।

  • RevenueHits পেমেন্ট বা টাকা উত্তোলনের পদ্ধতি ?

RevenueHits এর টাকা উত্তোলনের পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে পেপাল, পেওনিয়ার, ব্যাংক ট্রান্সফার।
সর্বনিম্ন পেমেন্ট $20
পেমেন্ট ফ্রিকুয়েন্সি: NET.30


  • RevenueHits পাবলিশার রিফারেলে বোনাস আছে ?

RevenueHits পাবলিশার রিফারেলে ১০০ ইউ.এস ডলার পর্যন্ত পাবার সুযোগ আছে। কিভাবে পাবেন তা ও বলছি। আপনার রিফারেলের কোন পাবলিশার যখন $10 ইনকাম করবে তখন আপনিয় $10 পাবেন। আরও $40 পাবেন যখন সেই পাবলিশারের $50 ইনকাম হবে। শুধু এইটুকুই নয়, সেই পাবলিশারের যদি $100 ইনকাম হয় তাহলে আপনি আরও $50 বোনাস পাবেন। তাহলে মোট $100 আপনি অতিরিক্ত পাচ্ছেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে শুধু যদি ভাল মানের পাবলিশার রিফার করতে পারেন তাহলেই আপনার পকেট গরম হওয়া ঠেকায় কে ? নিচের ছবিটিতে দেখুন রিফারেল বোনাস 20 ডলার পেয়েছে।
RevenueHits কি কি ধরনের বিজ্ঞাপন সাপোর্ট করে ?

  • ব্যানার এ্যডস
  • পপআন্ডার এ্যডস
  • স্যাডো বক্স এ্যডস
  • সস্নাইডার এ্যডস
  • টপ / বটম / সাইড ব্যানার এ্যডস
  • বাটন এ্যডস
  • মোবাইল এ্যডস
RevenueHits এ্যকাউন্ট করা সহজ নাকি কঠিন ?
শুরুতেই বলেছিলাম গুগল এ্যাডসেন্স একাউন্ট পাওয়া অনেক কঠিন কাজ। তাছাড়া বিভিন্ন সনামধণ্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে যা অনেক ওয়েবমাস্টারের পক্ষ্যে সম্ভব হয়না। ফলে তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। কিন' RevenueHits এর ক্ষ্যেত্রে তেমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। মাত্র ৫ মিনিটেই আপনার একাউন্ট রেডি।
আপনি যদি নতুন ব্লগার হয়েথাকেন তাহলে আমি সাজেশন দিবো আপনি নির্দিধায় RevenueHits ব্যবহার করুন।

RevenueHits VS Google Adsense বা অন্যন্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান কোনটা বেশি ভাল ?
আমি এখানে শুধু এ্যডসেন্স এর সঙ্গে রিভিনিউহিটসের তুলনা করবো। কেননা আমরা সবাই জানি যে গুগল এ্যডসেন্স ই সেরা। তাই বাকি বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের (ClickSor, InfoLinks,Chitika, Bidvertiser) সঙ্গে তুলনা করে শুধু শুধু সময় নষ্ট করছি না। তাহলে আসুন দেখি দুইটার মিল ও পার্থক্য।

RevenueHits ও Google Adsense এর মধ্যে মিল-

  • রিভিনিউহিটস ও এ্যাডসেন্স দুইটায় লক্ষ্যপূর্ণ বা কাঙ্খিত ভিজিটরদের টার্গেটেড বিজ্ঞাপন দেখায়।
  • দুইটাই ইসিপিএম, ক্লিক, ইম্প্রেশন (মাঝেমাঝে), রিভিনিউ ইত্যাদিতে টাকা দেয়।
  • দুইটাই বিভিন্ন সাইজের মানাসই বিজ্ঞাপন সাইজ সাপোর্ট করে।
  • ব্যবহার খুবই সহজ।


RevenueHits ও Google Adsense এর মধ্যে পার্থক্য-

  • এ্যাডসেন্স একাউন্ট পেতে হলে সাইটের বয়স কমপড়্গে ৬ মাস বয়স হতে হবে। কিন' রিভিনিউহিটস একাউন্ট পেতে মাত্র ৩ মিনিট সময় লাগতে পরে।
  • এ্যাডসেন্স ফেইক ট্রাফিক সাপোর্ট করেনা এবং ফেউক ট্রাফিকের কারনে একাউন্ট ব্যান করে দিতে পারে। কিন' রিভিনিউহিটস ফেইকট্রাফিকেউ অনেক সময় পে করে থাকে।
  • এ্যাডসেন্স ব্যবহারে অনেক বাধ্যবাধকতা আছে কিন' রিভিনিউহিটসে কোন বাধ্যকতা নাই।
  • এ্যাডসেন্স কপিরাইট সাইট সাপোর্ট করেনা। রিভিনিউহিটস কপিরাইটে প্রবলেম করেনা।
  • এ্যাডসেন্সে পিন ও এড্রেস ভেরিফিকেসন করতে হয় কিন' রিভিনিউহিটসে কোন ভেরিফিকেসনের ঝামেলা নাই।
  • এ্যডসেন্সের সাথে পপ এ্যাডস বা অন্য কোন এ্যাডস ব্যবহার করা যায়না। রিভিনিউহিটসে তেমন কোন সমস্যা নাই।
  • এ্যাডসেন্স পেপাল বা পেওনিয়র সাপোর্ট করেনা। শুধুমাত্র ব্যাংক চেক এর মাধ্যমে পে করে থাকে। কিন' রিভিনিউহিটস পেপাল, পেওনিয়র, ব্যাংক সাপোর্ট করে।
  • এ্যাডসেন্স ১০০ ডলার হলে টাকা দিয়ে থাকে কিন' রিভিনিউহিটস মাত্র ২০ ডলার হলে টাকা দেয়।
  • রিভিনিউহিটস কোষ্ট পার একশান হিসেবে টাকা পে করে। যদিও রিভিনিউহিটস ইম্প্রেশন বা ক্লিকে টাকা দেয়না এখানে একটা প্রশ্ন থাকতে পারে যে খুব কম ভিজিটরই কোষ্ট একশান শর্ত পূরন করেন। তাহলে আর্ন হবে কি করে ? বিষয়টা হচ্ছে এমন যে অনেক ধরনের এ্যাডস আছে যেগুলা শুধু ভিজিট বা ইম্প্রেশন রিকুয়ার্ড। তবে যেইসকল বিজ্ঞাপনদাতা দের শর্ত বেশি তাদের শর্ত পূরন হলে ইনকামও বেশি। এ্যাডসেন্স এর বিষয়টা ঠিক ভালো ভাবে যানা নাই।

এখন আপনি নিজেই ভেবে দেখুন কোনটা ভাল ?

  • কিভাবে রিভিনিউহিটস এ্যকাউন্ট করবেন বা ব্যবহার করবেন ?

প্রথমে এই লিঙ্কে যান। তারপর "SIGN UP" বাটনে ক্লিক করুন। একটি ফর্ম আসবে তাতে ফাস্ট নেম, লাস্ট নেম, সাইট নেম, সাইট ইউআরেল, সাইট ট্রাফিক (WEB), এবং সাইট ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে "Next Step" বাটনে ক্লিক করুন। এবার দ্বিতীয় ধাপে ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, ইমেইল, মোবাইল নম্বর কান্ট্রিকোড সহ, সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর এবং টার্মস এনড কন্ডিশনের বক্স টিক দিয়ে "Submit" বাটনে ক্লিক করে ইমেইল ভেরিফিকেশন করুন। আপনার এ্যাকাউন্ট রেডি। আপনার একাউন্টের ড্যাসবোর্ড এ "New Placement" এ ক্লিক করে এ্যাডস সেটআপ করুন এবং আপনার সাইটে যুক্ত করুন।
RevenueHits একাউন্ট তৈরি করতে এখানে ক্লিক করুন

  • শেষ কথা:
এ্যাডসেন্স তো এ্যাডসেন্সই। এর কোন বিকল্প হবেনা। তবে আমি মনে করি যারা ডাউনলোডিং সাইট এর জন্য বিজ্ঞাপন সাইট খুজছেন অথবা এ্যাডসেন্স পাচ্ছেন না তাদের জন্য গুগল এ্যাডসেন্স এর সেরা বিকল্প রিভিনিউহিটস। নিজেই ব্যবহার করে দেখুন তাহলেই বুঝবেন। জানিনা পোষ্টটি কেমন হয়েছে, কতটুকু বুঝাতে পেরেছি বা কতটুকু ভুল করেছি কিন্তু' অনেক চেষ্টা করেছি সব কিছু গুছিয়ে লিখতে। এটি আমার প্রথম পোষ্ট। ভুল হতেই পারেভ যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা করবেন এবংমন্তব্যে ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন। সবাই কে ধন্যবাদ এতক্ষন ধরে পোস্টটি পড়ার জন্য।




কিছু ট্যাগ:
Google Adsense
Google/Adsense
RevenueHits
RevenueHits কি
Google Adsense এর শ্রেষ্ঠ বিকল্প বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান RevenueHits
ইনকাম করুন খুব সহজ উপায়ে

ব্লগে লিখে আয় করার পাঁচটি সহজ উপায় | Five easy ways to earn by writing blogs


একদশক আগে পর্যন্তও নিজের লেখা গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া ছিল বেশ কঠিন, বড় পত্রিকায় ছাপার সুযোগ পান খুবই কমসংখ্যক লেখক, নাহলে ভরসা লিটল ম্যাগাজিন, তাতেও রয়েছে বিক্রির সমস্যা। আর এই লেখা থেকে আয়? সে সুযোগ তো মেলে ভাগ্যবানদের। তবে অবস্থাটা দ্রুতই বদলেছে, ঘরে ঘরে ইন্টারনেট আসার হাত ধরেই এসেছে ব্লগিং। নিজের মতামত, লেখা, ছবি সবকিছুই মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সহজ উপায় ব্লগ। নিয়মিত লিখতে লিখতে তৈরি হয়ে যায় পাঠককূলও। আর হ্যাঁ এই ব্লগই হয়ে উঠতে পারে আপনার আয়ের উত্সও।
অনেকেই বলে থাকেন, ভারতে এখনও ব্লগ থেকে যথেষ্ট আয়ের সুযোগ নেই। কিন্তু এই দেশেই এমন ব্লগাররা রয়েছেন যারা তাঁদের ব্লগ থেকেই আয় করছেন লাখ লাখ টাকা।
উপায় আছে হাতের কাছেই। জানতে হবে কয়েকটি সহজ পদ্ধতি, আর তাহলেই আপনার ব্লগটিই হবে আপনার ভবিষ্যতের আয়ের পথ।

১। বিজ্ঞাপন প্রকাশ

সবথেকে সহজ ও প্রচলিত উপায় এটি। যদি আপনি প্রথমবার আপনার ব্লগ থেকে আয়ের কথা ভাবেন তাহলে বেছে নিন এই উপায়টিই। সারা পৃথিবীতেই ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে তা থেকে আয় একটি চালু উপায়, আর আমাদের দেশেও তা সমান জনপ্রিয়।
কিভাবে কাজ করে -আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করুন, পাঠক যদি সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেন তাহলেই মিলবে কমিশন।
আপনার ব্লগে কীভাবে এটি ব্যবহার করবেন-


 ১/ প্রথমেই বেছে নিন একটি বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। ব্লগার এবং বিজ্ঞাপনদাতা উভয়ের মধ্যেই সবচেয়ে জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কটি হল গুগলের AdSense। রয়েছে BidVertiser, Infolinks এর মতো অন্য নেটওয়ার্কও।
 আপনার পছন্দের নেটওয়ার্কে বিজ্ঞাপন প্রকাশক হওয়ার জন্য আবেদন করুন। অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে আপনার ব্যাঙ্ক আকাউন্ট, যেখানে কমিশনের টাকা পাঠানো হবে তার বিবরণও দিতে হবে আবেদনপত্রে, তাই সেই বিবরণ তৈরি রাখুন।
 আপনার আবেদন মঞ্জুর হলে বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের তরফ থেকে তা জানিয়ে আপনাকে একটি মেল করা হবে।
 এরপর আপনাকে পাঠানো হবে বিজ্ঞাপন কোড যা আপনি আপনার ব্লগে প্রকাশ করবেন। আপনি আপনার পছন্দ মতো জায়গায় এটি প্রকাশ করতে পারেন, যেমন আপনি এটিকে লেখার মাঝে বা লেখার পাশের বারে রাখতে পারেন।
 আপনি বিজ্ঞাপন কোডটি ঠিক স্থানে রাখার দু’ঘন্টার মধ্যেই বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে তা আপনার ব্লগে প্রকাশ করা হবে এবং বিজ্ঞাপনটি আপনার ব্লগে দেখাবে।
 আপনার কাজ শেষ। এবার আপনার পাঠকরা ওই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলেই পয়সা জমা পড়বে আপনার অ্যাকাউন্টে।
কত টাকা পেতে পারেন
প্রতি ক্লিকে ০.০১ থেকে ৫০ ইউএস ডলার পর্যন্ত আয় করা যেতে পারে। আপনার ব্লগের বিষয়ের ওপরই নির্ভর করে এই আয়, কারণ ব্লগের বিষয়ের ভিত্তিতেই দেওয়া হয় বিজ্ঞাপন। আপনার আয়ের পরিমাণ নির্ভর করছে কতজন বিজ্ঞাপনটি ক্লিক করছেন তার ওপর।
বেশি আয় করবেন কীভাবে- আপনার ব্লগে কোন জায়গায় বিজ্ঞাপন দিলে সবথেকে বেশি পাঠকের চোখে পড়বে ও তাঁরা তা ক্লিক করতে উত্সাহিত হবেন, সেটা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। ঠিক করুন বিজ্ঞাপনের ধরণও। যেমন কোনও ব্লগে ছবিসহ বিজ্ঞাপনে বেশি ক্লিক হয় আবার অন্য কোনও ব্লগে, লেখা বিজ্ঞাপনের পাঠক বেশি।

২। মার্কেটিং অ্যাফিলিয়েট

বেশ ভালরকমের আয় হতে পারে এই উপায়। ব্লগে লেখার মাধ্যমে কোনও একটি পণ্য বা পরিষেবার প্রচার করতে হবে আপনাকে। পণ্য বা পরিষেবাটি বাছার বিষয় সতর্ক হোন। আপনার পাঠকরা কী কিনতে চাইতে পারে সেটি বুঝে নিতে হবে আপনাকে। এরজন্য প্রয়োজন গবেষণা ও বিশ্লেষণ। প্রচার করার সময়ও হতে হবে সাবধানী, পাঠক আপনার লেখা পড়তে আপনার ব্লগে আসেন, সারাক্ষণ পণ্য বা পরিষেবার প্রচার দেখলে তিনি বিরক্ত হতে পারেন।
কীভাবে কাজ করে- লেখার সঙ্গে পণ্য বা পরিষেবাটির লিঙ্ক আপনার ব্লগে প্রকাশ করতে হবে। যখন পাঠক সেই লিঙ্কে ক্লিক করবেন বা কিনবেন আপনি কমিশন পাবেন।
আপনার ব্লগে কীভাবে এটি ব্যবহার করবেন-
 প্রথমেই বেছে নিন কোন পণ্য বা পরিষেবার মার্কেটিং করতে চান। কয়েকটি প্রচলিত অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক হল Clickbank, OMG India, Trootrac media। এছাড়াও ফ্লিপকার্ট বা আমাজনের মতো কোম্পানিতে মার্কেটিং অ্যাফিলিয়েট হিসেবে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
 পছন্দের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন পত্র পূরণ করুন। আপনি মার্কেটিং-এর জন্য কী কী কৌশল ও পদ্ধতি ঠিক করেছেন, তা জানাতে হতে পারে আবেদনের সময়।
 বেশিরভাগ ওয়েবসাইটই ২৪-৭২ ঘন্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয় আপনার আবেদন গৃহীত হল কি না।
আবেদন গৃহীত হলে আপনার অ্যাফিলিয়েট অ্যাকাউন্টটিতে লগ-ইন করে বেছে নিতে পারেন আপনার ব্লগের জন্য উপযুক্ত লিঙ্কটি।
উপযুক্ত লিঙ্ক বা বিজ্ঞাপনটি আপনার ব্লগে যোগ করার পর দেখে নিন তা ঠিক মতো কাজ করছে কি না।
অ্যাফিলিয়েট হিসেবে আয় করার জন্য আপনি এবার প্রস্তুত। এরপর যখনই কেউ ওই লিঙ্কে ক্লিক করবে অথবা পণ্য বা পরিষেবাটি কিনবে আপনি তা থেকে কমিশন পাবেন।
কত টাকা পেতে পারেন- বিক্রয়মূল্যের ২.৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ অবধি পেতে পারেন আপনি। কমিশনের মূল্য নির্ভর করে পণ্য বা ওয়েবসাইটের ওপর। যেমন আপনি যদি ফ্লিপকার্টের বিজ্ঞাপন দেন, তাহলে কোনও ক্রেতা মোবাইল ফোন কিনলে আপনি যে কমিশন পাবেন, তার থেকে অনেক বেশি কমিশন পাবেন কেউ জামাকাপড় কিনলে।
বেশি আয় করবেন কীভাবে- আপনার পাঠকের কথা মাথায় রেখে পণ্য বা পরিষেবা নির্বাচন করুন। যে জিনিসের বিক্রি বেশি তার কমিশন কম, তাই পণ্য বা পরিষেবা নির্বাচনের সময় এমন জিনিস বাছুন যা তুলনামূলকভাবে কম বিক্রি হয় কিন্তু আপনার পাঠক তা কিনতে উত্সাহী।

৩। নিজের পণ্য বিক্রি

সবথেকে স্থায়ী ও নিশ্চিত আয়ের পদ্ধতি ব্লগের সাহায্যে নিজের পণ্য বিক্রি করা। এক্ষেত্রে আয়ের ওপর সবথেকে বেশি নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব। যেহেতু পণ্য ডিজাইন, দাম নির্ধারণ, মার্কেটিং পুরোটাই ব্লগার নিজে করেন তাই আয়ও তাঁর ওপরই নির্ভর করে।
কীভাবে কাজ করে- নিজের দক্ষতা অনুযায়ী একটি পণ্য বা পরিষেবা তৈরি করুন। তারপর ব্লগের মাধ্যমে সেটি বিক্রি করুন।
আপনার ব্লগে কীভাবে এটি ব্যবহার করবেন-
 নিজে হাতে বা কাউকে দিয়ে কোনও একটি পণ্য বা পরিষেবা তৈরি করুন। ইবুক, ভিডিওকোর্সের মত ডিজিটাল পণ্য বা বই, কুকি ইত্যাদি যা ইচ্ছে তৈরি করতে পারেন আপনি।
 পণ্য বা পরিষেবার মূল্য নির্ধারণ করুন। পণ্যটি কিভাবে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেবেন, ক্যুরিয়র বা পোস্টে না কি ক্রেতাকে নিজে এসে সংগ্রহ করতে হবে তা ঠিক করুন। ঠিক করুন বিক্রয়মূল্য সংগ্রহের পদ্ধতি, পে-প্যাল, নগদ, চেক, ব্যাঙ্কে সরাসরি টাকা পাঠানো, আপনার এবং ক্রেতার দুজনের জন্যই সবথেকে বেশি সুবিধাজনক পদ্ধতিটি বেছে নিন।
 ব্লগে একটি ল্যান্ডিং পাতা যোগ করুন, সেখানে আপনার তৈরি পণ্যের বিবরণ দিন, পণ্যটির ব্যবহার, উপযোগীতা সম্পর্কে বিশদে লিখুন, যোগ করুন কেনার বোতাম।
 নিজের পাঠকের বাইরে অন্যদের মধ্যেও আপনার পণ্যের প্রচার করুন। ব্যবহার করুন সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেল মার্কেটিং বা অ্যাডওয়ার্ডের মত মাধ্যমগুলি।
 আপনার পণ্য বিক্রি করুন ও তা থেকে আয় করুন।
কত টাকা আয় করতে পারেন- এর কোনও উচ্চসীমা নেই। দাম, উত্পাদনমূল্য সবই যেহেতু আপনিই ঠিক করবেন তাই আয়ও আপনার হাতে, যত ভাল পণ্য, বিক্রিও তত বেশি, আর তা থেকে আয়ও।
বেশি আয় করবেন কীভাবে- পাঠকের চাহিদা বিশ্লেষণ করুন, এমন পণ্য তৈরি করুন যা আপনার পাঠক কিনতে উৎসাহী.

৪। ব্লগের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্স

আপনি ব্লগিং করছেন মানে কোনও বিষয়ের ওপর নিশ্চয়ই আপনার কিছু জ্ঞান ও দক্ষতা রয়েছে। যেমন ধরুন আপনি ভাল কেক বানাতে পারেন, বা আঁকতে পারেন, ব্লগে আপনার এই দক্ষতার প্রচার করুন ও ফ্রিল্যান্স কাজ জোগার করে নিন। ধরুন এরকম কোনও দক্ষতাই আপনার নেই, তাহলেও শুধুমাত্র ব্লগিং সংক্রান্ত টিপস্ দিয়েই আয় করতে পারেন আপনি। দেখবেন অনেকেই টাকা দিয়ে আপনার পরামর্শ নিচ্ছে, যা এতদিন আপনি বিনামূল্যেই দিয়ে এসেছেন।
কীভাবে কাজ করে- আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করে রোজগার করতে পারেন অথবা কাজ করতে পারেন নির্দিশ্ট প্রজেক্টে।
ব্লগে কিভাবে এটি ব্যবহার করবেন-
 ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি কী কী কাজ করতে পারেন তা সংক্ষেপে লিখুন,লিখুন কেন একজন আপনাকে কাজ দেবে, অন্যদের থেকে আপনি কোথায় এগিয়ে, উল্লেখ করুন যোগাযোগের নম্বর ও টাকা।
 আপনার পাঠকদের জানান কী কী কাজ আপনি করতে চান, তাঁদের আগ্রহ তৈরি করুন, তাঁদের বলুন তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের আপনার দক্ষতার কথা জানাতে। তাঁরা যেহেতু ইতিমধ্যেই আপনার ব্লগ পড়েন ও আপনার দক্ষতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল তাই তাঁরা সহজেই আগ্রহী হবেন।
 ব্লগ ছাড়া অন্যান্য মাধ্যম যেমন সোশ্যাল মিডিয়া, বিজ্ঞাপন ইত্যাদিতেও আপনার দক্ষতার কথা জানান। যত বেশি সংখ্যক লোক আপনার দক্ষতা সম্পর্কে জানতে পারবে কাজের সুযোগও ততই বাড়বে।
 যখন কোনও প্রজেক্ট নেবেন, তা পেশাদারিত্বের সঙ্গে শেষ করুন। আপনার ব্লগ থেকে আয় করুন।
কত টাকা আয় করতে পারেন- আয় নির্ভর করছে আপনার জ্ঞান ও দক্ষতার ওপর। এছাড়াও আপনার দক্ষতার চাহিদার ওপরও নির্ভর করছে আয়ের পরিমাণ। আপনি যদি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারেন এবং জটিল প্রজেক্টে কাজ করার উপযোগী হন তাহলেই বাড়বে আয়।
বেশি আয় করবেন কীভাবে- নিজের কাজের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করুন, বুঝতে না পারলে পাঠকদের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে জেনে নিন আপনার এই কাজের জন্য তাঁরা কত টাকা দিতে রাজি। বেশিরভাগ সময়ই ব্লগার নিজের কাজের জন্য কম মূল্য নির্ধারণ করেন, ফলে নিজের উপযুক্ত আয় করতে পারেন না।

৫। ব্লগে সরাসরি বিজ্ঞাপন প্রকাশ

ব্লগ থেকে টাকা রোজগারের খুবই চালু উপায় হল কোনও কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের বিজ্ঞাপন ব্লগে দেওয়া। এরফলে অ্যাডনেটওয়ার্ককে বাদ দিয়েই বিজ্ঞাপন দিতে পারছেন আপনি, বাড়ছে আয়। এছাড়াও আপনিই ঠিক করছেন কোন বিজ্ঞাপন দেবেন ও তার জন্য কতটাকা ধার্য্য করবেন, ফলে নিয়ন্ত্রণ থাকছে আপনার হাতে। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি খুবই ভাল কাজ করলেও অনেকক্ষেত্রে একেবারেই কার্যকরী হয়না।
কীভাবে কাজ করে
আপনি ব্লগে বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ করবেন, যখনই কেউ সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে আপনি টাকা পাবেন। অথবা মাসিক বা সাপ্তাহিক মূল্যও ধার্য্য করা যেতে পারে, যেখানে পাঠকের ক্লিক করার ওপর নির্ভর করবে না আয়।
আপনার ব্লগে এটি ব্যবহার করবেন কীভাবে-
 ব্লগের কোন জায়গায় বিজ্ঞাপনটি দিতে চান ঠিক করুন. হেডার, ফুটার, সাইডবার বা লেখার মধ্যে যেকোনও জায়গায় দিতে পারেন বিজ্ঞাপনটি।
 আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য কী করতে হবে সেই বিবরণ দিয়ে একটি পাতা তৈরি করুন। সেখানে লিখুন আপনার পাঠক কারা, আপনি কী বিষয় লেখেন, এবং আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপনের মূল্য কত। ব্লগের বিভিন্ন জায়গার জন্য বিভিন্ন মূল্য নির্ধারণ করতে পারেন, যেমন হেডারে হয়তো আপনি বেশি মূল্য ঠিক করলেন আর লেখার মধ্যে কম। আপনার যোগযোগ নম্বর বা ই-মেইল আইডিও উল্লেখ করুন।
 মানিটাইজেশন নেটওয়ার্ক-এ নিজের ব্লগকে নথিভুক্ত করান। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আপনি অনেক বিজ্ঞাপনদাতার কাছে পৌঁছতে পারবেন। BuySell Ads এরকম একটি জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক।
 ব্লগের যে জায়গায় আপনি বিজ্ঞাপন দিতে চান শেখানে বক্স করে লিখুন “এখানে বিজ্ঞাপন দিন”। এটি বিজ্ঞাপনদাতার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।
 অনেক সময়ই বিজ্ঞাপনদাতা মূল্যের বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে স্থির করতে চায়, সেই সুযোগ রাখুন। মূল্যের বিষয় সহমতে এলে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করুন ও টাকা পান।
কত আয় হতে পারে- আপনিই যেহেতু মূল্য নির্ধারণ করবেন তাই আপনার ওপরই নির্ভর করছে আয়ের পরিমাণ। তবে যত বেশি সংখ্যক পাঠক আয়ও ততই বেশি।
বেশি আয় করবেন কী ভাবে- ব্লগের যে যে জায়গায় বিজ্ঞাপন দেবেন প্রতি জায়গাতেই “এখানে বিজ্ঞাপন দিন” লিখবেন না। কোনও কোনও জায়গায় কিছু নকল বিজ্ঞাপন দিন, এতে বিজ্ঞাপনদাতার আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দিতে উৎসাহী হবেন।
এই পাঁচটিই হল ব্লগ থেকে আয়ের সবথেকে প্রচলিত উপায়। ব্লগ থেকে রোজগার করা যেমন কোনও রকেট সায়েন্স নয় তেমনই ছেলেখেলাও নয়। পণ্য বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। এবং ব্লগের নিয়মিত পাঠক তৈরি করার জন্য পরিশ্রম করতে হবে, যত বেশি সংখ্যক নিয়মিত পাঠক তৈরি করতে পারবেন আয় ততই বাড়বে। প্রয়োজন ব্লগের প্রচার করাও। অনেক ব্লগারই খুব ভাল প্রবন্ধ লেখেন কিন্তু প্রচার করেন না, তাই তা তাদের ব্যক্তিগত ডায়েরির মতই রয়ে যায়। প্রচারের মাধ্যমেই একমাত্র সম্ভাব্য পাঠকের কাছে পৌঁছনো সম্ভব। তাই ব্লগের প্রচার করুন, যেকোনও একটি উপায় বেছে নিন আর আয় করুন ব্লগ থেকে।

post by google

ব্লগারে ব্লগিং করে আয় করুন মাসে $ 50-100 $

আপনাকে ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করতে হলে প্রথমে যেটা জানতে হবে...
  • Blogger এ ব্লগ খুলা।
  • ভাল একটা ডিজাইন করা।
  • নিজের পছন্দ মত আরটিকেল নিয়ে লেখা,আরটিকেল গুলা মানসম্মত হতে হবে।
  • এডাল্ট সাইট করলে ভাল আঊটপুট পাবেন।
  • সামান্য SEO নলেজ।
  • আপনার যদি ব্লগ না থাকে বা না পারেন তাহলেও আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।যারা ব্লগ ছারা টাকা আয় করতে চান পোষ্ট এর নিচে লাল অংশ দেখুন।
কারো যদি ব্লগ করা আর SEO নিয়ে প্রব্লেম থাকে আমাকে নক করলে হবে,উপায় বলে দিব।
এখন কাজের কথায় আসি কি কি করতে হবে।
  1. প্রথমে ব্লগারে একটি ব্লগ খুল্বেন,তার আগে ভেবে নিবেন আপনি কোন জিনিস নিয়ে ব্লগে লিখবেন,যদি এডাল্ট সাইট হয় তাহলে একটা ভাল কীওয়ার্ড খুজে সেই অনুসারে ব্লগের নাম দিবেন।কিছু রিসার্চ করে নিবেন।
সাইটে কন্টেট যোগার করা। আপনার সাইট্টি আপনার পছন্দের কন্টেট দিয়ে ভালভাবে সাজান এবং চেষ্টা করবেন ৫০টার বেশি পোষ্ট রাখতে।
যেটা থেকে টাকা ইনকাম করব সেটা মুলত লিঙ্ক সর্ট করে এমন একটা সাইট,এরা এদের লিঙ্ক এ এড দেয় যার কারনে আমাদের রেফারে ভিজিটর আসলে আমাদের পে করে। 
এবার এখান থেকে এই সাইটে জয়েন করুন এবং সব সঠিক ইনফরমেসন দিবেন।
অনলাইনে আয়-earninghelplinebd
             
 তারপর নিচের ছবির মত মার্ক করা 'TOOL' বাটনে ক্লিক করুন এবং বাম পাশ থেকে 'Website entry script' এ ক্লিক করুন।
অনলাইনে আয়-earninghelplinebd
তারপর নিচের কোডটি ব্লগারে Layout পেনেলে যেকোন যায়গায় একটা Html/Javascript box এ পেস্ট করে সেভ করুন। নিচে দেখুন...
স্টেপ ১...
স্টেপ ২...
স্টেপ ৩...
স্টেপ ৪...

আপনার কাজ শেষ এখন শুধু আপনার সাইটে ভিজিটর পাঠান।কেঊ যখন আপনার সাইটে ডুকবে একটু পর ই একটা পপ-আপ এড দেখতে পাবে এবং স্কিপ না করলে সাইটের কন্টেন পড়তে বা দেখতে পাবেনা।আর আপনার সাইটে ভিজিটর আসলেই আপনার একাঊন্টে টাকা যোগ হতে থাকবে।প্রেমেন্ট নিয়ে কোন টেনশন করবেন না ২ডলার মিনিমাম হলেই প্রেমেন্ট,আপনার সাইটে যদি আপনি মাসে ৫০০০ এর উপরে ভিজিটর পাঠাতে পারেন আপনি কি পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন চিন্তা করতে পারবেন না।আর চেষ্টা করবেন সাইটে এমন কিছু রাখতে যেটা সারা বিশ্বে মানুষ পড়তে পারে কারন united state,united kingdom,canada,south africa এমন আরো কিছু দেশ আছে যেগুলা থেকে ভিজিটর আসলে আপনার ইনকাম রেট অনেক অনেক বেশি হবে।
সাইট এর কাজ শেষ হয়ে গেলে অন পেজ,অফ পেজ SEO করুন,যদি কেউ না পারেন তাহলে ফেসবুকে,টুইটারে যত পারেন শেয়ার করেন মুলকথা সাইটের ভিজিটর বাড়ান কারন যত ভিজিটর তত টাকা।
 ব্লগ দিয়ে যে এখান থেকে আয় করতে হবে এমন কিছু না কিন্তু এভাবে করলে বেশি আয় করা যায় আর পরিস্রম কম,যাদের ব্লগ নেই তারা যেভাবে শুরু করবেন...
ADF.LY তে লগিন করলে সবার প্রথমে নিচের ছবির মত দেখতে পাবেন।
এখানে আপনি কোন ভিডিও বা পোষ্ট যেকোন interesting জিনিসের লিঙ্ক টা পেস্ট করে সর্ট করবেন,তারপর আপনার shorte লিঙ্ক টাকে নিয়ে প্রমোট করা শুরু করে দিন, ফেসবুকে,টুইটারে যত পারেন শেয়ার করেন,ব্লগ কমেন্ট করে ভিজিটর আনতে পারেন,মানে আপনার লিঙ্ক এ ভিজিটর আসলেই হবে।আপনি ইচ্ছা করলে যেকোন লিঙ্ক কে short/shrink করে শুরু করতে পারেন এবং একাধিক লিঙ্ক নিয়ে কাজ করতে পারবেন, ড্যাশ বোর্ড এ নিচে নামলে আপনি দেখতে পারবেন আপনার কোন লিঙ্ক এ কত ক্লিক পড়ছে এবং কোনটা থেকে কত টাকা আসল।

আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন...